আগস্টে আর্জেন্টিনার বার্ষিক মূল্যস্ফীতির হার বেড়ে ১২৪ দশমিক ৪ শতাংশে দাঁড়িয়েছে। মূল্যস্ফীতির এ হার ১৯৯১ সালের পর সর্বোচ্চ। এর মধ্যেই দেশটিতে জীবনযাত্রার ব্যয় আরো তীব্র হয়ে উঠেছে। ক্রমবর্ধমান দামের সঙ্গে ক্রেতারা মানিয়ে নিতে রীতিমতো লড়াই করছেন। খবর রয়টার্স।

শুধু আগস্টে মাসিক মূল্যস্ফীতির হার ১২ দশমিক ৪ শতাংশ, যা দারিদ্র্যসীমাকে ৪০ শতাংশের ওপরে নিয়ে গেছে। দেশটিতে আগামী অক্টোবরে নির্বাচন। তার আগে রাজনৈতিক এলিটদের নিয়ে জনগণের মধ্যে হতাশা বাড়ছে। কেন্দ্রীয় ব্যাংক বিশ্লেষকরা পূর্বাভাস দিয়েছেন যে মূল্যস্ফীতি চলতি বছরে ১৬৯ শতাংশ অতিক্রম করতে পারে। কেন্দ্রীয় ব্যাংক সেপ্টেম্বরে মাসিক মূল্যস্ফীতি ১২ শতাংশ ও অক্টোবরে ৯ দশমিক ১ পূর্বাভাস করেছে।

মুদ্রার অবমূল্যায়ন, লাগামহীন মূল্যস্ফীতি, নেতিবাচক কেন্দ্রীয় ব্যাংকের রিজার্ভ এবং খরার কারণে কৃষিমন্দাসহ অর্থনৈতিক সংকটের মুখোমুখি আর্জেন্টিনা।

দেশটি আইএমএফের সঙ্গে ৪ হাজার ৪০০ কোটি ডলারের একটি চুক্তির জন্যও কাজ করছে।

আসন্ন রাষ্ট্রপতি নির্বাচন অনিশ্চয়তাকে আরো বাড়িয়ে তুলছে। মূল্যস্ফীতি আশির দশকে হাইপার ইনফ্লেশনের স্মৃতিকে পুনরুজ্জীবিত করে। মূল্যস্ফীতির অনিশ্চয়তার মধ্যে ব্যবসায়ীরা চাহিদার অনুপাতে পণ্যের ঘাটতিতে পড়েছেন। মানুষের ক্রয়ক্ষমতা সীমিত হয়ে পড়েছে। বিশ্লেষকরা বলেন, আগামীতে মূল্যস্ফীতি ১৮০ শতাংশে উন্নীত হতে পারে।