মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধের কারণে তেলভিত্তিক কাঁচামালের ব্যয় বেড়ে যাওয়ার কারণে লোকসান বেড়েছে বলে জানিয়েছে কোম্পানিটি। ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই) সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।
আর্থিক প্রতিবেদন অনুসারে, চলতি ২০২৫-২৬ হিসাব বছরের তৃতীয় প্রান্তিকে (জানুয়ারি-মার্চ) মিরাকল ইন্ডাস্ট্রিজের শেয়ারপ্রতি ১ টাকা ২ পয়সা লোকসান হয়েছে, আগের হিসাব বছরের একই সময়ে যা ছিল ৬৪ পয়সা। ৩১ মার্চ ২০২৬ শেষে কোম্পানিটির শেয়ারপ্রতি নিট সম্পদমূল্য (এনএভিপিএস) দাঁড়িয়েছে ৮ টাকা ৯২ পয়সায়।
সর্বশেষ সমাপ্ত ২০২৪-২৫ হিসাব বছরে বিনিয়োগকারীদের জন্য কোনো লভ্যাংশ ঘোষণা করেনি কোম্পানিটির পর্ষদ। আলোচ্য হিসাব বছরে মিরাকল ইন্ডাস্ট্রিজের শেয়ারপ্রতি লোকসান হয়েছে ২ টাকা ৩০ পয়সা, আগের হিসাব বছরে যা ছিল ২ টাকা ৮৬ পয়সা। ৩০ জুন ২০২৫ শেষে কোম্পানিটির এনএভিপিএস দাঁড়িয়েছে ১১ টাকা ৩২ পয়সায়।
সমাপ্ত ২০২৩-২৪ হিসাব বছরে বিনিয়োগকারীদের কোনো লভ্যাংশ দেয়নি কোম্পানিটির পর্ষদ। আলোচ্য হিসাব বছরে মিরাকল ইন্ডাস্ট্রিজের শেয়ারপ্রতি লোকসান হয়েছে ২ টাকা ৮৬ পয়সা, আগের হিসাব বছরে যা ছিল ২ টাকা ৪৭ পয়সা। ৩০ জুন ২০২৪ শেষে কোম্পানিটির এনএভিপিএস দাঁড়িয়েছে ১৩ টাকা ৬২ পয়সায়।
২০০০ সালে পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত মিরাকল ইন্ডাস্ট্রিজের অনুমোদিত মূলধন ৫০ কোটি ও পরিশোধিত মূলধন ৩৫ কোটি ২১ লাখ ৮০ হাজার টাকা। রিজার্ভে রয়েছে ৪ কোটি ৬৫ লাখ টাকা। মোট শেয়ার সংখ্যা ৩ কোটি ৫২ লাখ ১৮ হাজার ৫৫। এর ৩০ দশমিক ২৬ শতাংশ রয়েছে উদ্যোক্তা পরিচালকদের কাছে। এছাড়া প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীদের কাছে ৪ দশমিক ৮৯, বিদেশী বিনিয়োগকারী দশমিক ২০ ও সাধারণ বিনিয়োগকারীদের হাতে বাকি ৬৪ দশমিক ৬৫ শতাংশ রয়েছে।
সমাপ্ত ২০২২-২৩ হিসাব বছরে বিনিয়োগকারীদের কোনো লভ্যাংশ দেয়নি কোম্পানিটির পর্ষদ। আলোচ্য হিসাব বছরে মিরাকল ইন্ডাস্ট্রিজের শেয়ারপ্রতি লোকসান হয়েছে ২ টাকা ৪৯ পয়সা, আগের হিসাব বছরে যা ছিল ৩ টাকা ৭৮ পয়সা। ৩০ জুন ২০২৩ শেষে কোম্পানিটির এনএভিপিএস দাঁড়িয়েছে ১৭ টাকা ৪৯ পয়সায়।
সমাপ্ত ২০২১-২২ হিসাব বছরে বিনিয়োগকারীদের কোনো লভ্যাংশ দেয়নি মিরাকল ইন্ডাস্ট্রিজ। আলোচ্য হিসাব বছরে কোম্পানিটির শেয়ারপ্রতি লোকসান হয়েছে ৩ টাকা ৭৮ পয়সা, আগের হিসাব বছরে যা ছিল ১ টাকা ৮৫ পয়সা। ৩০ জুন ২০২২ শেষে কোম্পানিটির এনএভিপিএস দাঁড়িয়েছে ১৯ টাকা ৯৯ পয়সায়।










