বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (বিএসইসি) ও ন্যাশনাল অ্যাডভাইজরি বোর্ডের (এনএবি) উদ্যোগে ‘ইমপ্যাক্ট ইনভেস্টমেন্ট: ব্রিজিং দ্য গ্যাপ’ শীর্ষক একটি গোলটেবিল কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়েছে। রাজধানীর আগারগাঁওয়ে সিকিউরিটিজ কমিশন ভবনে গতকাল এ কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়। কর্মশালায় ইমপ্যাক্ট ইনভেস্টমেন্টের বিভিন্ন দিক নিয়ে আলোচনা করেছেন অংশগ্রহণকারীরা।

বিএসইসির চেয়ারম্যান অধ্যাপক শিবলী রুবাইয়াত-উল-ইসলাম কর্মশালায় উপস্থিত ছিলেন। সঞ্চালকের দায়িত্বে ছিলেন বিএসইসির কমিশনার অধ্যাপক ড. শেখ শামসুদ্দিন আহমেদ। সভাপতিত্ব করেন এনএবির প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (সিইও) ফরহাদুর রেজা। কর্মশালায় সরকারের সাবেক সচিব আরাস্তু খান, বিএসইসির নির্বাহী পরিচালক মোহাম্মদ রেজাউল করিম, জিএসজির হেড অব মার্কেট ডেভেলপমেন্ট ফেই ওয়েচায়চাই, নেদারল্যান্ডসের সোশ্যাল ফাইন্যান্সিং ম্যানেজার লরা ব্রাউনার এবং বিল্ড বাংলাদেশের নির্বাহী পরিচালক ইরাদ কাওসার প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন।

বিএসইসির চেয়ারম্যান শিবলী রুবাইয়াত-উল-ইসলাম তার বক্তব্যে বলেন, ‘‌আমরা দেশের বন্ড মার্কেট উন্নয়নে কাজ করে যাচ্ছি। ব্যাংক থেকে দীর্ঘমেয়াদি অর্থায়ন সংগ্রহ করা হলে এ খাতের ওপর চাপ তৈরি করে। আমরা এরই মধ্যে বেশকিছু করপোরেট প্রতিষ্ঠানকে বন্ড ইস্যুর অনুমোদন দিয়েছি। বর্তমানে আমরা ২০৩০ সালের মধ্যে টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা (এসডিজি) অর্জনে কাজ করে যাচ্ছি। আগামী পাঁচ বছর দেশের অর্থনীতির জন্য সোনালি সময়।’

কর্মশালায় উদ্যোক্তা, হিসাববিদ, উন্নয়নকর্মীসহ বিভিন্ন খাতের অংশীজনের ইমপ্যাক্ট ইনভেস্টমেন্টের বিভিন্ন দিক তুলে ধরেন। তারা বাস্তব অভিজ্ঞতার ভিত্তিতে নীতি প্রণয়নের আহ্বান জানান। বর্জ্য ব্যবস্থাপনায় গুরুত্ব দেয়া ও বাংলাদেশের প্রেক্ষিত বিবেচনায় নিয়ে নীতি প্রণয়নের পরামর্শ দেয়া হয়। 

অনেক বড় প্রতিষ্ঠানই পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত হতে আগ্রহী নয়, কারণ এখানে শেয়ারের মূল্য নির্ধারণ পদ্ধতি বাস্তবভিত্তিক নয় বলে মনে করা হয়। এর সমাধান প্রত্যাশা করেছেন তারা। কোন কোন খাতে ইমপ্যাক্ট ইনভেস্টমেন্টের প্রয়োজন রয়েছে সেটি নির্ধারণের তাগিদ দেন কেউ কেউ। সরকারি সব সংস্থাকে সমন্বিতভাবে নীতি প্রণয়ণের দাবিও জানিয়েছেন তারা।