আবহাওয়াসংক্রান্ত কারণে ফ্লাইট বিলম্বের ঘটনার সঙ্গে পরিচিত আছেন যাত্রীরা। তবে এখন থেকে ‘ফাইভজি সিগন্যাল’ বিড়ম্বনার মুখোমুখি হতে পারে যুক্তরাষ্ট্রের এয়ারলাইনস যাত্রীরা। সমস্যাটি এমন এক সময় দেখা দিচ্ছে যখন ওয়্যারলেস পরিষেবা দেয়া প্রতিষ্ঠানগুলো প্রধান বিমানবন্দর এলাকায় ফাইভজি সিস্টেম পুরোদমে চালু করতে যাচ্ছে। খবর এপি।
উড়োজাহাজ পরিষেবা সংস্থাগুলো বছরের পর বছর ধরে সতর্ক করেছে, ফাইভজি সিগন্যাল উড়োজাহাজের সরঞ্জামগুলোয় প্রভাব ফেলতে পারে। বিশেষ করে মাটির ওপর থেকে উচ্চতা মাপতে ডিভাইসগুলো রেডিও তরঙ্গ ব্যবহার করলে উড়োজাহাজ অবতরণ করা জটিল হয়ে পড়তে পারে। এর প্রভাবে ব্যাপকভাবে ফ্লাইট অবতরণ ব্যর্থ হবে। গত বছর টেলিকম কোম্পানিগুলো ফাইভজি পরিষেবা চালু করার পর আশঙ্কা সত্য প্রমাণ হয়েছে।
এর মধ্যে ব্যস্ত বিমানবন্দরগুলোর চারপাশে সিগন্যালের শক্তি সীমিত করতে সম্মত হয় টেলিকম কোম্পানিগুলো। পাশাপাশি উড়োজাহাজগুলো আপগ্রেড করার জন্য এক বছর সময় বেঁধে দেয়া হয়। মার্কিন পরিবহন সচিব পিট বুটিগিগ সম্প্রতি এয়ারলাইনসকে বলেছেন, ‘ফ্লাইটগুলো ব্যাহত হতে পারে। কারণ দেশের উড়োজাহাজ বহর রেডিও হস্তক্ষেপ মোকাবেলা করতে সক্ষম নয়।’
তবে বেশির ভাগ প্রধান মার্কিন এয়ারলাইনস বলছে, তারা ফাইভজি মোকাবেলায় প্রস্তুত। আমেরিকান, সাউথওয়েস্ট, আলাস্কা, ফ্রন্টিয়ার ও ইউনাইটেড জানিয়েছে, তাদের সমস্ত উড়োজাহাজে উচ্চতা মাপার ডিভাইস রয়েছে। যাকে রেডিও অল্টিমিটার বলা হয়, এটি ফাইভজির হস্তক্ষেপ ঠেকাতে সক্ষম। সেখানে ব্যতিক্রম ডেল্টা এয়ারলাইনস। ডেল্টা বলছে, তাদের ১৯০টি উড়োজাহাজ রয়েছে, যার মধ্যে বেশির ভাগই ছোট। এই ছোট উড়োজাহাজগুলোয় এখনো অল্টিমিটার আপগ্রেড করা হয়নি। কারণ সরবরাহকারী প্রতিষ্ঠান এখনো প্রয়োজনীয় সংখ্যক অল্টিমিটার সরবরাহ করতে পারেনি। তবে ডেল্টা বলেছে, এয়ারলাইনস এ সমস্যার কারণে কোনো ফ্লাইট বাতিল করার কথা ভাবছে না।










