বেইজিংয়ের অর্থায়নে রেলওয়ে প্রকল্প সম্প্রসারণের বিষয়ে আলোচনা করেছে চীন ও ইন্দোনেশিয়া। ইন্দোনেশিয়ার একজন মন্ত্রী এ কথা জানান। এর আগে চীনের প্রধানমন্ত্রী লি কিয়াং বুলেট ট্রেন পরীক্ষামূলক যাত্রায় অংশ নেন। খবর দ্য জাকার্তা পোস্ট।
ইন্দোনেশিয়ার সিনিয়র মন্ত্রী লুহুত পান্ডজাইতান সাংবাদিকদের বলেন, ‘১৪২ কিলোমিটার উচ্চগতির রেললাইন বর্তমানে ইন্দোনেশিয়ার রাজধানী জাকার্তাকে বান্দুং শহরের সঙ্গে সংযুক্ত করেছে। ইন্দোনেশিয়ার দ্বিতীয় বৃহত্তম শহর সুরাবায়া পর্যন্ত এ রেললাইনকে প্রসারিত করার জন্য লির সঙ্গে আলোচনা করা হয়েছে এবং চীনের প্রধানমন্ত্রী এ বিষয়ে সম্মতি জানিয়েছেন।’
প্রকল্পটি নির্মাণকারী কনসোর্টিয়াম কেসিআইসির মুখপাত্র আমির মন্টি জানান, লি ও লুহুত জাকার্তা থেকে কারাওয়াং পর্যন্ত ট্র্যাকের ৪১ কিলোমিটার অংশে ট্রেনটি পরীক্ষা করেছেন।
ইন্দোনেশিয়ার প্রেসিডেন্ট জোকো উইডোডোর ৭৩০ কোটি ডলারের ফ্ল্যাগশিপ প্রকল্পটি চীনের বেল্ট অ্যান্ড রোড ইনিশিয়েটিভের অংশ, যা জমি সংগ্রহের সমস্যা, কভিড-১৯ মহামারী এবং ঋণসংক্রান্ত খরচের কারণে বিভিন্ন সমস্যার সম্মুখীন হয়েছে। ফলে এর কাজ বিলম্বিত হয়েছে। ইন্দোনেশিয়া আগামী ১ অক্টোবর জাকার্তা-বান্দুং ট্র্যাকের বাণিজ্যিক লঞ্চের লক্ষ্য স্থির করেছে। এটি ২০১৯ সালের মূল লক্ষ্যের চেয়ে অনেক বেশি।
ইন্দোনেশিয়ার পরিবহনমন্ত্রী বুদি কারিয়া সুমাদি জানান, লি ট্রেনের চেষ্টা করলেও প্রকল্পটি ইন্দোনেশিয়ার পরিবহন মন্ত্রণালয়ের কাছ থেকে একটি অপারেশনাল পারমিট পায়নি। তবে বুদি বলেন, ‘প্রকল্পটি নিরাপদ ছিল বলে লি নিশ্চিতভাবে খুব সন্তুষ্ট ছিলেন। তিনি বলেছিলেন, এর গুণমান চীনেরটির মতোই ছিল। কেসিআইসি ইন্দোনেশিয়ান ও চীনা রাষ্ট্রীয় কোম্পানিগুলোর সমন্বয়ে গঠিত, যার মধ্যে রয়েছে চায়না রেলওয়ে ইঞ্জিনিয়ারিং করপোরেশন। লি দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়া ও তার বাইরের দেশগুলোর নেতাদের সঙ্গে উচ্চপর্যায়ের বৈঠকে যোগ দিতে জাকার্তায় রয়েছেন।’










