সাম্প্রতিক বছরগুলোতে বন্ধুত্বপূর্ণ রাজনৈতিক সম্পর্ক আফগানিস্তান থেকে ভারতকে চা আমদানিতে ব্যাপকভাবে সহায়তা করেছে।
তবে এক বছর ধরে দেশটিতে কমছে ভারতের চা রফতানি।
আফগানিস্তানে চলমান সংকটের আগে থেকেই দেশ দুটির মধ্যে চা বাণিজ্যে ভাটা পড়ে।
খবর দ্য হিন্দু বিজনেস লাইন।
কমনওয়েলথভুক্ত দেশ ও যুক্তরাষ্ট্রের পর সবচেয়ে বড় চা আমদানিকারক দেশ ইরান ও সংযুক্ত আরব আমিরাত।
দেশ দুটিতে পাল্লা দিয়ে বাড়ছে চায়ের চাহিদা।
এ কারণে ভারত আফগানিস্তানের পরিবর্তে দেশ দুটিতে চা রফতানিতে মনোযোগ বাড়িয়েছে।
ভারতের চা বোর্ডের দেয়া সাম্প্রতিক তথ্য বলছে, ২০২০-২১ অর্থবছরে আফগানিস্তানে ভারতের চা রফতানি কমে এক লাখ কেজিতে নেমেছে।
এর আগের অর্থবছর রফতানির পরিমাণ ছিল ২ লাখ ১০ হাজার কেজি।
এদিকে শুধু গন্তব্য পরিবর্তন নয়, বরং চায়ের ক্রমবর্ধমান মূল্যবৃদ্ধির কারণেও রফতানি কমেছে।
২০১৯-২০ অর্থবছরে ভারতীয় চায়ের রফতানি মূল্য ছিল কেজিপ্রতি ১১০ রুপি।
কিন্তু ২০২০-২১ অর্থবছরে তা বেড়ে কেজিপ্রতি ১৩৫ রুপিতে উন্নীত হয়।
রফতানিকারকরা বলেন, আমরা ইচ্ছা করে দাম বাড়াইনি।
আন্তর্জাতিক বাজারদর বৃদ্ধির কারণে ভারতেও পানীয় পণ্যটির দাম বেড়েছে।
এছাড়া রফতানি ব্যয়ও মূল্যবৃদ্ধিতে ভূমিকা রাখছে।
২০১৯-২০ অর্থবছরে প্রতি কেজি চা আফগানিস্তানে রফতানি করতে ১ ডলার ৪৮ সেন্ট ব্যয় হয়েছিল।
কিন্তু গত অর্থবছর ব্যয় বেড়ে ১ ডলার ৯০ সেন্টে উন্নীত হয়।
রফতানি হ্রাস পাওয়ায় আয়ও কমেছে।
গত অর্থবছর আফগানিস্তানে চা রফতানি করে ভারত ১ কোটি ৩৫ লাখ রুপি আয় করে।
এর আগের অর্থবছর আয়ের পরিমাণ ছিল ২ কোটি ৩১ লাখ রুপি।
এদিকে চলতি অর্থবছরও রফতানিতে নিম্নমুখী ধারা অব্যাহত আছে।










