চলতি মৌসুমের এ পর্যন্ত ব্রাজিলে যে পরিমাণ চিনি উৎপাদন হয়েছে, মৌসুমের বাকি সময়ে তার চেয়ে বেশি উৎপাদনের সম্ভাবনা দেখা দিয়েছে। এতে মৌসুম শেষে উৎপাদন গত বছরের তুলনায় ৩ শতাংশ বাড়তে পারে বলে জানিয়েছে সুইস এগ্রিটেক কোম্পানি গামায়া।
এক প্রতিবেদনে কোম্পানিটি জানায়, মৌসুমের প্রথমার্ধে উৎপাদন পরিস্থিতি ছিল অত্যন্ত দুর্বল। তখন মিল মালিকরা অভিযোগ করেন, স্বাভাবিকের তুলনায় অনেক শুষ্ক আবহাওয়ার কারণে আখের ফলন ভালো হচ্ছে না। ফলে চিনি উৎপাদনেও দেখা মিলছে না প্রবৃদ্ধির। ফলে চলতি বছর দেশটি গত বছরের চেয়ে বেশি উৎপাদন করতে পারবে কিনা, তা নিয়ে সংশয় দেখা দিয়েছিল।
গামায়া বলছে, শুষ্ক আবহাওয়ার কারণে আখ গাছের বৃদ্ধিতে ৪৫ দিন বেশি সময় লেগেছে। তবে আসন্ন দিনগুলোয় উৎপাদন ও উত্তোলন বাড়বে। এছাড়া ডিসেম্বরের মাঝামাঝি সময় পর্যন্ত মিলগুলো পূর্ণ সক্ষমতায় কার্যক্রম পরিচালনা করবে বলেও প্রত্যাশা প্রতিষ্ঠানটির।
ব্রাজিল বিশ্বের শীর্ষ চিনি উৎপাদক দেশ। কিন্তু গত বছর দেশটির চিনি উৎপাদনে বিপর্যয় নেমে আসে। মূলত ইতিহাসের সবচেয়ে ভয়াবহ খরা ও তুষারপাতের কারণে উৎপাদন ক্ষতিগ্রস্ত হয়। এদিকে দেশটির উৎপাদন তলানিতে নামায় বিশ্ববাজারে চিনির বড় আকারের ঘাটতি তৈরি হয়। পাল্লা দিয়ে বাড়তে থাকে দাম।










