মিসরে শহুরে ভোক্তাপণ্যে মূল্যস্ফীতি চলতি বছরের জুনে গত বছরের একই সময়ের তুলনায় ৩৫ দশমিক ৭ শতাংশ উন্নীত হয়েছে। পূর্ববর্তী বছরের তুলনায় মে মাসে মূল্যস্ফীতি দাঁড়িয়েছিল ৩২ দশমিক ৭ শতাংশ। সম্প্রতি এমনটিই দাবি করা হয়েছে দেশটির পরিসংখ্যান সংস্থা ক্যাপমাসের প্রকাশিত প্রতিবেদনে। খবর রয়টার্স।
ঈদুল আজহার ছুটিজনিত কারণে চাহিদা বেড়েছে। আর চাহিদা বাড়ার পরিণাম হিসেবে বেড়েছে মূল্য। তাছাড়া মূল্যস্ফীতি নির্ধারণে ভিত্তি সময়েরও প্রভাব রয়েছে। ২০২২ সালের মার্চের পর থেকে মিসরীয় মুদ্রা প্রায় অর্ধেক অবনমন ঘটেছে। মহামারীর অভিঘাত শেষ না হতেই রাশিয়ার ইউক্রেন আক্রমণ সরাসরি প্রভাব ফেলেছে দেশটির অর্থনীতির ওপর। চলমান বৈশ্বিক অর্থনৈতিক অনিশ্চয়তার মধ্যে দেশটির অর্থনৈতিক ভঙ্গুরতা দ্রুত প্রকাশিত হয়ে পড়েছে।
২০২২ সালের ডিসেম্বরে আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিল (আইএমএফ) মিসরের জন্য ৩০০ কোটি মার্কিন ডলার ঋণ অনুমোদন দেয়। তবে রিভিউর প্রথম প্রকল্পই বিলম্বিত হয়েছে দেশটির অভ্যন্তরীণ কারণে। তার আগে ২০১৭ সালের জুলাইয়ে মিসরের হেডলাইন মূল্যস্ফীতি ছিল ৩২ দশমিক ৯৫২ শতাংশ।










