বিশ্বের অন্যতম শীর্ষ খাদ্যশস্য উৎপাদক ও রফতানিকারক রাশিয়া। ভূরাজনৈতিক অস্থিরতা, বৈরী আবহাওয়ার প্রভাব, সার সংকট, পশ্চিমা নিষেধাজ্ঞাসহ নানামুখী চ্যালেঞ্জের মধ্যে দেশটির কৃষি খাত। এতে স্থানীয় বাজারে খাদ্যশস্যের দাম বাড়ছে পাল্লা দিয়ে। এমন পরিস্থিতি থেকে উত্তরণের লক্ষ্যে দেশটি খাদ্যশস্য রফতানিতে বিধিনিষেধ আরোপ করেছে। খবর আনাদোলু এজেন্সি।

রাশিয়া গত বছরের ডিসেম্বরেই এ-সংক্রান্ত একটি ডিক্রি জারি করে। বুধবার তা কার্যকর হয়েছে। এর আওতায় আগামী ৩০ জুন পর্যন্ত খাদ্যশস্য রফতানি ২ কোটি ৫৫ লাখ টনে সীমিত রাখার সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে। তবে ইউরেসিয়ান ইকোনমিক ইউনিয়নভুক্ত দেশের জন্য এ সিদ্ধান্ত প্রযোজ্য নয়।

সম্প্রতি দেশটির প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন জানান, রাশিয়াকে খাদ্যপণ্যের স্থিতিশীল মজুদ নিশ্চিত করতে হবে। এজন্য যদি রফতানি কিছুটা কমাতে হয়, তা-ই করা হবে।

২০২২-২৩ বিপণন মৌসুমে সাড়ে পাঁচ কোটি থেকে ছয় কোটি টন খাদ্যশস্য রফতানির সম্ভাবনা দেখছে রাশিয়া। দেশটির কৃষি মন্ত্রণালয় সম্প্রতি এ তথ্য জানিয়েছে। এ কারণেই রফতানি নিয়ে আশাবাদী দেশটির খাতসংশ্লিষ্টরা।

প্রসঙ্গত, ২০২২ সালে রাশিয়া সব মিলিয়ে ১৫ কোটি ৩৮ লাখ টন খাদ্যশস্য উৎপাদন করেছে। ২০২১ সালের তুলনায় উৎপাদন ২৬ দশমিক ৭ শতাংশ বেড়েছে। খাদ্যশস্যের মধ্যে শুধু গম উৎপাদনের পরিমাণই দাঁড়িয়েছে ১০ কোটি ৪৪ লাখ টনে। গত বছরের আগে রাশিয়া ২০১৭ সালে রেকর্ড পরিমাণ খাদ্যশস্য উৎপাদন করেছিল।