চীনে সয়ামিলের চাহিদা বাড়ছে।
বিপরীতে দেশটিতে কমেছে সয়াবিনের উৎপাদন।
এ অবস্থায় ২০২১-২২ বিপণন মৌসুমে অধিক পরিমাণ সয়াবিন আমদানির পরিকল্পনা করেছে দেশটি।
মার্কিন কৃষি বিভাগের (ইউএসডিএ) সাম্প্রতিক এক প্রতিবেদনে এ তথ্য উঠে এসেছে।
ইউএসডিএর ‘গ্লোবাল এগ্রিকালচারাল ইনফরমেশন নেটওয়ার্ক’
শীর্ষক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ২০২১-২২ বিপণন মৌসুমে চীন আন্তর্জাতিক বাজার থেকে ১০ কোটি ১০ লাখ টন সয়াবিন আমদানি করতে পারে, যা আগের মৌসুমের তুলনায় ৩ শতাংশ বেশি।
চীনের মিনিস্ট্রি অব এগ্রিকালচারাল অ্যান্ড রুরাল অ্যাফেয়াসের্র এক জরিপ প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, চলতি বছরের প্রথম সাত মাসে দেশটিতে সয়ামিলের উৎপাদন বেড়েছে প্রায় ২০ শতাংশ।
এ সময়ে উৎপাদন হয়েছে ১৬ কোটি ৪৯ লাখ টন সয়ামিল।
ফলে এ বছরের বাকি সময় হিসাবে উৎপাদন আরো বাড়বে।
ইউএসডিএর প্রতিবেদনও বলছে, চলতি বছরের বাকি মাসগুলোতে সয়ামিলের উৎপাদন আরো বাড়বে।
আর আগামী বছর উৎপাদনে বড় প্রবৃদ্ধি আসবে।
কারণ দেশটির পশুখাদ্য ও পোলট্রি খাতে সয়ামিলের চাহিদা এখন ঊর্ধ্বমুখী।
চীনে মূলত পশুখাদ্য হিসেবে সয়ামিলের চাহিদা সবচেয়ে বেশি।
অভ্যন্তরীণ চাহিদার একটি অংশ নিজস্ব উৎপাদনের মাধ্যমে মিটিয়ে থাকে দেশটি।
তবে চাহিদার বড় অংশই পূরণ হয় সয়াবিন আমদানির মাধ্যমে।
কিন্তু ২০২১-২২ মৌসুমে দেশটিতে সয়াবিনের উৎপাদন ছয় লাখ টনের মতো কমে আসতে পারে।
ফলে চাহিদা মোকাবেলায় আমদানিতে জোর দিচ্ছে দেশটি।
ইউএসডিএর প্রতিবেদন বলছে, ২০২০-২১ মৌসুমে আন্তর্জাতিক বাজার থেকে আমদানীকৃত সয়াবিনের ৬০ শতাংশই এককভাবে গিয়েছে চীনে।
আর এ মৌসুমে দেশটিতে ৭ কোটি ৪৪ লাখ টনের মতো সয়ামিল উৎপাদন হয়েছে।










