পেরুর তামা উৎপাদনে উল্লম্ফন দেখা দিয়েছে। চলতি বছরের প্রথম সাত মাসে ব্যবহারিক ধাতুটির উৎপাদন বেড়েছে ১০ দশমিক ৯ শতাংশ। তবে গত জুলাইয়ে উৎপাদন ৪ দশমিক ৩ শতাংশ কমে যায়। দেশটির জ্বালানি ও খনিজ সম্পদবিষয়ক মন্ত্রণালয় এ তথ্য জানিয়েছে।

মন্ত্রণালয়ের তথ্য অনুযায়ী, চলতি বছরের প্রথম সাত মাসের মধ্যে শুধু জানুয়ারি ও জুলাইয়ে উৎপাদন নিম্নমুখী ছিল। বাকি পাঁচ মাস ধারাবাহিকভাবে উৎপাদন বৃদ্ধি পায়। জানুয়ারিতে পেরুর তামা উৎপাদন ৭ দশমিক ৬ শতাংশ কমে গিয়েছিল।

পেরু বিশ্বের দ্বিতীয় শীর্ষ তামা উৎপাদক। গত বছর করোনা মহামারীর প্রাদুর্ভাবে দেশটির তামা উৎপাদন খাত ক্ষতিগ্রস্ত হয়। তবে এ বছর সংকট মোকাবেলায় তামা খনিগুলোতে কঠোর স্বাস্থ্য সুরক্ষা নীতিমালা গ্রহণ করা হয়েছে। ফলে শ্লথ হয়ে পড়া উৎপাদনে নতুন গতির সঞ্চার হয়েছে। বছরের প্রথম সাত মাসে দেশটি সব মিলিয়ে ১২ লাখ ৭০ হাজার টন তামা উৎপাদন করেছে।

উৎপাদনের ৮০ শতাংশই এসেছে পাঁচটি প্রধান কোম্পানি থেকে। এর মধ্যে আন্টামিনা ২০ দশমিক ৬ শতাংশ, ক্যারো ভার্ডে ১৮ দশমিক ২ শতাংশ, লাস ভাম্বাস ১৩ দশমিক ৪ শতাংশ ও চিনালকো ৯ দশমিক ৩ শতাংশ তামা উৎপাদন করে। প্রধান চারটি কোম্পানির উৎপাদনে উত্থান-পতন বজায় ছিল। তবে চিনালকো ধারাবাহিকভাবে উৎপাদন বাড়াতে সক্ষম হয়েছে।

আন্টামিনা পেরুর শীর্ষ তামা উৎপাদক কোম্পানি। বছরের প্রথম সাত মাসে কোম্পানিটি ২ লাখ ৬২ হাজার ৬৬৪ টন তামা উৎপাদন করে। এছাড়া লাস ভাম্বাস ১ লাখ ৭০ হাজার ৮৫৩ ও চিনালকো ১ লাখ ১৯ হাজার ২ টন তামা উৎপাদন করে।