মাল্টিঅ্যাক্সেল
বাস, ট্রাক ব্যবহার করার মাধ্যমে অধিক পরিমাণ মালামাল পরিবহন যেমন সম্ভব তেমনি সড়ক
ও সেতুর রক্ষণাবেক্ষণ ব্যয়ও ৫০ শতাংশ কমানো সম্ভব বলে জানিয়েছে সংশ্লিষ্টরা।
বুধবার
(১২ জুন) রাজধানীর একটি হোটেলে বাংলাদেশ অটোমোবাইলস অ্যাসেম্বলার্স অ্যান্ডে ম্যানুফ্যাকচারার্স
অ্যাসোসিয়েশন (বামা) এবং বাংলাদেশ ইলেক্ট্রিক মোবিলিটি অ্যাসোসিয়েশনের (বিমা) উদ্যোগে জাতীয় বাজেট ২০২৪-২৫ বিষয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে
এসব কথা বলেন বক্তারা। সভায় সভাপতিত্ব করেন বামা ও বিমার প্রসিডেন্ট আব্দুল মাতলুব আহমাদ।
তিনি
বলেন, প্রতি বছর সড়ক ও সেতু রক্ষণাবেক্ষণের
জন্য সরকারকে বিপুল পরিমাণ অর্থ ব্যয় করতে হয়। অন্যদিকে আমরা যদি মাল্টিঅ্যাক্সেল বাস,
ট্রাক ব্যবহার করি এর মাধ্যমে অধিক পরিমাণ মালামাল পরিবহন করা যাবে তেমনি সড়ক ও সেতুর
রক্ষণাবেক্ষণ ব্যয়ও ৫০ শতাংশ কমবে। সামগ্রিকভাবে বিগত বছরগুলোতে মহাসড়ক, সড়ক ও সেতু
রক্ষণাবেক্ষণ ব্যয় উল্লেখভোগ্যভাবে বেড়েছে।
তিনি
আরো বলেন, বর্তমানে আমাদের দেশে বাস, ট্রাক, মিনিবাস, পিকআপ প্রস্তুতকারীরা নিয়ম না মেনে যত্রতত্র এগুলো তৈরি করছেন, ফলে সড়ক দুর্ঘটনা
বাড়ছে। সরকারের কাছে আমাদের অনুরোধ এগুলো স্বীকৃত কারখানার মাধ্যমে তৈরি করা হলে সড়ক
দুর্ঘটনা উল্লেখযোগ্যভাবে হ্রাস পাবে। এ বিষয়ে আমরা সরকারের সার্বিক সহযোগিতা কামনা
করছি।
বিমার
তরফ থেকে বিদ্যুৎচ্চালিত যানবাহন নিয়ে বক্তব্য রাখেন রানার গ্রুপের চেয়ারম্যান হাফিজুর
রহমান খান। তিনি বলেন, বিদ্যুচ্চালিত যানবাহন নিয়ে অনেক প্রতিষ্ঠান এগিয়ে এগিয়ে এসেছে।
যে কারণে আরেকটা নতুন অ্যাসোসিয়েশনের জন্ম দেয়ার প্রয়োজন বোধ করছি। এটার সঙ্গে শুধু
বিদ্যুৎচ্চালিত গাড়ি উৎপাদনকারক না, ব্যাটারি উৎপাদনকারক , মোটর উৎপাদনকারী এবং স্টার্টআপও
কাজ করবে। এ ধরনের ইলেক্ট্রিক মোবিলিটিকে সামনে রেখে আমরা একটা সংগঠন তৈরি করেছি তার
নাম হলো বিমা। এটা এখনো প্রক্রিয়াধীন অবস্থায়
আছে।
সংবাদ
সম্মেলনে অন্যান্যদের মধ্যে আরো উপস্থিত ছিলেন রানার মোটরস লিমিটেডের পরিচালক মোহাম্মদ
আলী দ্বীন, ইফাদ মোটরসের ম্যানেজিং ডিরেক্টর তাসকীন আহমেদ, আকিজ মোটরসের প্রধান নির্বাহী
কর্মকর্তা শেখ আমিন উদ্দীনসহ আরো অনেকে।










