বৈশ্বিক গম রফতানিতে দ্বিতীয় ইউরোপীয় ইউনিয়ন (ইইউ)। কভিড-১৯ মহামারীর প্রভাব কাটিয়ে বিশ্বব্যাপী পর্যাপ্ত গম সরবরাহে তত্পরতা চালাচ্ছে অঞ্চলভুক্ত দেশগুলো। ২০২১-২২ বিপণন মৌসুমে এ অঞ্চলের গম রফতানি গত মৌসুমের তুলনায় অনেক বেশি বাড়বে। ইউরোপিয়ান কমিশন এক প্রতিবেদনে এ পূর্বাভাস দিয়েছে।

কমিশনের দেয়া তথ্য বলছে, চলতি বছরের জুলাইয়ে বিপণন মৌসুম শুরু হয়েছে। মৌসুমের শুরু থেকে ২৬ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত অঞ্চলভুক্ত দেশগুলো ৬৯ লাখ ৫০ হাজার টন গম রফতানি করে। গত মৌসুমের একই সময় রফতানি করা হয় ৫০ লাখ ৯০ হাজার টন। সে হিসাবে রফতানি বেড়েছে ৩৬ শতাংশ।

রফতানি বাড়ার পেছনে মূল ভূমিকা রাখবে ঊর্ধ্বমুখী উৎপাদন। আগস্টের শেষ দিকে ইউরোপিয়ান কৃষি মনিটরিং সংস্থা মার্স এক পূর্বাভাসে জানায়, চলতি মৌসুমে প্রতি হেক্টর জমিতে ৫৯ লাখ ৮০ হাজার টন গম উৎপাদন হতে পারে। এটি গত মৌসুমের তুলনায় ৫ শতাংশ বেশি।

ইউরোপিয়ান কমিশনের তথ্য বলছে, যব রফতানিও বাড়ছে। ২৬ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত ২৩ লাখ ৭০ হাজার টন যব রফতানি করা হয়। গত মৌসুমের একই সময়ে রফতানির পরিমাণ ছিল ২১ লাখ ১০ হাজার টন।

প্রতিবেদনে আরো বলা হয়, ২৬ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত ইইউভুক্ত দেশগুলো ৩৪ লাখ ৩০ হাজার টন ভুট্টা আমদানি করে। গত মৌসুমের একই সময় আমদানি করা হয় ৪২ লাখ ২০ হাজার টন। সে হিসাবে কৃষিপণ্যটির আমদানি কমেছে।