এশিয়ার অন্যতম ধনী ব্যক্তি মুকেশ আম্বানির নেতৃত্বাধীন রিলায়েন্স রিটেইল লিমিটেডের বাজারদর ৯২-৯৬ বিলিয়ন ডলার। নির্ভরযোগ্য সূত্রে বার্তা সংস্থা রয়টার্স দাবি করেছে, এটি ভবিষ্যতে ইনিশিয়াল পাবলিক অফারের (আইপিও) সম্ভাব্য পরিকল্পনার ইঙ্গিত হতে পারে। রিলায়েন্স স্বতন্ত্র মূল্য নির্ধারক ফার্ম (ইওয়াই) আর্নস্ট অ্যান্ড ইয়াংকে নিয়োগ করেছিল, যারা কোম্পানির মূল্য ধরেছে ৯ হাজার ৬১৪ কোটি ডলার। অন্যদিকে বাইন্ডার ডাইকার ওট (বিডিও) নামক অর্থনৈতিক পরামর্শদাতা ফার্ম তাদের মূল্যমান ঠিক করেছে প্রায় ৯ হাজার ২০০ কোটি ডলার। যদিও এ ব্যাপারে মূল্য নির্ধারক সংস্থা দুটি তাৎক্ষণিক কোনো প্রতিক্রিয়া জানায়নি।
রিলায়েন্স রিটেইলের মধ্যে রয়েছে আম্বানির মূল রিটেইল ব্যবসা, যার মধ্যে রয়েছে ডিজিটাল ও বিঅ্যান্ডএম স্টোর। এটি সম্পূর্ণরূপে রিলায়েন্স রিটেইল ভেঞ্চারসের মালিকানাধীন। মূল্যায়নগুলো আম্বানির রিটেইল সাম্রাজ্যের দ্রুত প্রবৃদ্ধির জন্য পরামর্শদাতাদের স্বীকৃতির ইঙ্গিত দিচ্ছে। ২০২০ সালে রিলায়েন্স রিটেইল ভেঞ্চারস কেকেআর, সৌদি পাবলিক ইনভেস্টমেন্ট ফান্ড, জেনারেল আটলান্টিক এবং মুবাদালার মতো বিনিয়োগকারীদের কাছে ১০ দশমিক ৯ শতাংশ শেয়ার বিক্রি করে ৫৭২ কোটি ডলার সংগ্রহ করেছিল। যদিও আম্বানি তার রিটেইল কার্যক্রমগুলো তালিকাভুক্ত করার ইচ্ছা প্রকাশ করেছেন, তবে তিনি কোনো নির্দিষ্ট সময়সীমা বা আইপিও পরিকল্পনার বিস্তারিত প্রকাশ করেননি।
ইওয়াই ও বিডিওর প্রায় ৯২-৯৬ বিলিয়ন ডলারের মূল্যায়ন স্পষ্ট ইঙ্গিত দেয়, বর্তমানে রিলায়েন্স রিটেইল অত্যন্ত দামি সম্পত্তিতে পরিণত হয়েছে। ইওয়াই শেয়ারপ্রতি মূল্যমান ৮৮৪ দশমিক ৩ রুপি এবং বিডিও শেয়ারপ্রতি মূল্যমান ৮৪৯ দশমিক ৮ রুপি নির্ধারণ করেছে।
রিলায়েন্স রিটেইল ভারতে তাদের উপস্থিতি ও আধিপত্য বাড়ানোর জন্য বার্বেরি, প্রেট এ ম্যাঙ্গার, টিফানিসহ বিভিন্ন আন্তর্জাতিক ব্র্যান্ডের সঙ্গে অংশীদারত্ব গড়ে তুলেছে। খবরটি রিলায়েন্সের রিটেইল বিভাগের জন্য সম্ভাব্য আইপিওর পথকে আরো প্রশস্ত করেছে। কারণ কোম্পানিটি ভারতীয় রিটেইল বাজারে আধিপত্য প্রতিষ্ঠা অব্যাহত রেখেছে।










