তুরস্কে তুলা বাণিজ্য জোরদার হচ্ছে। টেক্সটাইল খাতের প্রধান কাঁচামালটির আবাদ, উৎপাদন, আমদানি ও ব্যবহার বাণিজ্য বৃদ্ধিতে সহায়ক ভূমিকা পালন করছে। ফাইবারটুফ্যাশনের মার্কেট অ্যানালাইসিস টুল টেক্সপ্রো এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানিয়েছে।
চলতি বছর অনুকূল আবহাওয়ার কারণে তুলার আবাদ ভালো হয়েছে। এছাড়া পণ্যটির বৈশ্বিক দাম বাড়তে থাকায় তুরস্কের কৃষকদের মাঝে তুলা চাষে আগ্রহ বেড়েছে। পাশাপাশি তুরস্ক সরকার আবাদে উৎসাহিত করতে প্রণোদনা বাড়িয়েছে।
অন্যদিকে বাড়ছে তুলার স্থানীয় ব্যবহারও। শীত ও উৎসবের মৌসুম সামনে রেখে পণ্যটির চাহিদা লাফিয়ে বাড়ছে। এ সময় সরবরাহ সংকট দেখা দেয়ার আশঙ্কায় তুলা আমদানি বাড়ানো হচ্ছে। দেশটিতে সবচেয়ে বেশি তুলা সরবরাহ করছে যুক্তরাষ্ট্র।
তথ্য বলছে, ২০১৯-২০ অর্থবছরে তুরস্কে তুলা আবাদি জমির পরিমাণ ছিল ৫ লাখ ৭০ হাজার হেক্টর। ২০২০-২১ অর্থবছর করোনা মহামারীর কারণে এটি ৩৮ দশমিক ৬০ শতাংশ কমে ৩ লাখ ৫০ হাজার হেক্টরে নেমে আসে। তবে চলতি ২০২১-২২ অর্থবছরে আবাদ ২৮ দশমিক ৫৭ শতাংশ বেড়ে ৪ লাখ ৫০ হাজার হেক্টরে পৌঁছার সম্ভাবনা দেখা দিয়েছে।
২০১৯-২০ অর্থবছরে উৎপাদিত তুলার পরিমাণ ছিল ৭ লাখ ৫০ হাজার টন। গত অর্থবছর এটি ১৬ শতাংশ কমে ৬ লাখ ৩০ হাজার টনে নেমে আসে। তবে চলতি অর্থবছর উৎপাদন ১৯ দশমিক ৫ শতাংশ বেড়ে ফের মহামারীপূর্ব অবস্থায় ফিরে আসার সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে। চলতি অর্থবছর দেশটিতে তুলার ব্যবহার ১০ দশমিক ৬১ শতাংশ বেড়ে ১৮ লাখ ৩০ হাজার টনে পৌঁছতে পারে। ফলে আমদানিও বাড়াবে তুরস্ক।










