ক্রেডিট রেটিং ইনফরমেশন অ্যান্ড সার্ভিসেস পিএলসি (সিআরআইএসএল) এ ঋণমান নির্ধারণ করেছে। ২০১৫ সাল থেকেই সামিট করপোরেশন দীর্ঘমেয়াদে সর্বোচ্চ ‘‌এএএ’ ঋণমান পেয়ে আসছে।

সিআরআইএসএল গত ২ এপ্রিল সামিট করপোরেশনের সর্বশেষ ঋণমান ঘোষণা করেছে। এ রেটিংয়ের পূর্বাভাস বা আউটলুক ‘স্থিতিশীল’ হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে।

সামিট করপোরেশন লিমিটেড ২৮ বছরেরও বেশি সময় ধরে দেশের বিদ্যুৎ ও জ্বালানি খাতে কার্যক্রম পরিচালনা করছে। সামিট করপোরেশনের মূল কোম্পানি সিঙ্গাপুরে নিবন্ধিত সামিট পাওয়ার ইন্টারন্যাশনাল। সামিট করপোরেশনের অঙ্গপ্রতিষ্ঠান দেশের পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত সামিট পাওয়ার লিমিটেড। তালিকাভুক্ত কোম্পানিটির অধীনে থাকা বিদ্যুৎ কেন্দ্রগুলোর পাশাপাশি সামিট করপোরেশনের অধীনে সামিট মেঘনাঘাট পাওয়ার কোম্পানি লিমিটেড, সামিট মেঘনাঘাট পাওয়ার-২ কোম্পানি লিমিটেড, সামিট বিবিয়ানা পাওয়ার কোম্পানি লিমিটেড, সামিট এলএনজি টার্মিনাল কোম্পানি (প্রাইভেট) লিমিটেড ও সামিট অয়েল অ্যান্ড শিপিং কোম্পানি লিমিটেড রয়েছে।

সামিট করপোরেশনের মোট বিদ্যুৎ উৎপাদন সক্ষমতা ২ হাজার ১২ মেগাওয়াট। রিগ্যাসিফিকেশন সক্ষমতা ৫০০ এমএসিএফডি। কোম্পানিটির ৭৬ হাজার টন এইচএফও ও ৬০ হাজার টন ডিজেল সংরক্ষণের সক্ষমতা রয়েছে। কোম্পানিটির বার্ষিক ছয় লাখ টন জ্বালানি সরবরাহের সক্ষমতা রয়েছে। ২০২৪-২৫ অর্থবছরে সামিট করপোরেশন ৭৬ কোটি ৭০ লাখ ২০ হাজার ডলার আয় করেছে।