রংপুরের কারুপণ্য সবুজ ফ্যাক্টরির জন্য স্থাপত্যে বিশ্বের অন্যতম
মর্যাদাপূর্ণ পুরস্কার রিবা ইন্টারন্যাশনাল অ্যাওয়ার্ড ফর এক্সিলেন্স-২০২৪ জিতেছে নকশাবিদ
আর্কিটেক্টস।
বুধবার (১২ জুন) বাংলাদেশ সময় সকাল ৬টায় রয়্যাল ইনস্টিটিউট অব বৃটিশ
আর্কিটেক্টস (রিবা) এ পুরস্কার প্রাপ্তির কথা জানিয়েছে। প্রতি তিন বছর পর পর বিশ্বের
বিশিষ্ট স্থাপত্যকর্মের জন্য রিবা এ পুরস্কার দিয়ে থাকে। এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য
জানানো হয়েছে। রিবা এ প্রকল্পকে ভবিষ্যতের শিল্প প্রকল্পগুলোর জন্য একটি প্রশংসনীয়
মডেল হিসেবেও উল্লেখ করেছে।
রিবা’র মতে, এ কারখানার ৪ হাজার কর্মচারীর ৮০ শতাংশ নারী, কারখানাটি
তাদের সামাজিক মর্যাদা এবং বাড়িতে সম্মান বৃদ্ধি করেছে। সংস্থাটি আরো জানায়, বনলতা নামের ভাস্কর্য নারীর ক্ষমতায়নের শক্তির প্রতীক।
কারখানার ভেতর প্রাকৃতিকভাবে আলোকিত, এটি সৌর প্যানেলযুক্ত, কারখানার অপারেশন এবং রক্ষণাবেক্ষণে
গ্রিন বিল্ডিং রেটিংয়ে প্ল্যাটিনাম সার্টিফিকেশন অর্জনকেও প্রশংসা করেছে এ সংস্থা।
রংপুর শহরের রবার্টসনগঞ্জে স্থাপিত কারুপণ্য রংপুর লিমিটেডের এই কারখানার
ভবন শীতল রাখা হয়েছে এক বিশেষ ধরনের স্থাপত্যকৌশল প্রয়োগ করে। এতে কারখানাটির ৮০ শতাংশ
বিদ্যুৎ সাশ্রয় হচ্ছে। বিদ্যুতের ব্যবহার সর্বনিম্ন পর্যায়ে নামিয়ে এনে একটি সবুজ
(গ্রিন) কারখানা গড়ে তোলা হয়েছে। এর নকশায় কারখানা ভবন ও মানুষের মধ্যে একটি ঘনিষ্ঠ
বন্ধন স্থাপন করতে সফল হয়েছেন এর স্থপতি।
এর আগে সামাজিক দায়বদ্ধ স্থাপত্য প্রকল্প ও শিল্পপ্রতিষ্ঠান ক্যাটাগরিতে
কারুপণ্য রংপুর লিমিটেডের এ ফ্যাক্টরির জন্য আর্কেশিয়া স্থাপত্য পুরস্কার-২০২৩ এ দুটি
স্বর্ণপদক জিতেছিলেন নকশাবিদের প্রধান স্থপতি বায়েজিদ মাহবুব। ২০২২ সালে ইন্টারন্যাশনাল
ইউনিয়ন অব আর্কিটেক্টস (ইউআইএ) এবং ইউএন হ্যাবিটেট যৌথভাবে কারুপণ্যের সবুজ কারখানার
জন্য নকশাবিদকে ‘ইউআইএ-২০৩০’ পুরস্কার দিয়েছিল।
এ বছর বাংলাদেশের আরেকটি প্রতিষ্ঠান ‘স্থাপতিক’ও এ পুরস্কার জিতেছে।
শাহ মোহাম্মদ মহসীন খান দরগাহর জন্য তারা এ পুরস্কার পেয়েছে। বিজ্ঞপ্তি










