যুক্তরাজ্যে ১৩তম বারের মতো সুদহার বাড়াতে যাচ্ছে ব্যাংক অব ইংল্যান্ড (বিওই)। বৃহস্পতিবার কেন্দ্রীয় ব্যাংকটির পক্ষ থেকে বলা হয়, জীবনযাত্রার ব্যয় সংকট ও নিয়ন্ত্রণহীন মূল্যস্ফীতির রাশ টেনে ধরতে ঋণের বিপরীতে সুদহার আরেক দফা বাড়ানো হবে। খবর রয়টার্স।
বর্তমানে জি৭ দেশগুলোর মধ্যে যুক্তরাজ্যের সুদহার সবচেয়ে বেশি। তার পরও ব্রিটিশ কেন্দ্রীয় ব্যাংকের মনিটারি পলিসি কমিটি (এমপিসি) চলমান মূল্যস্ফীতি মোকাবেলায় সুদহার দশমিক ২৫ বেসিস পয়েন্ট বৃদ্ধির চিন্তা করছে।
বুধবার প্রকাশিত তথ্যানুসারে, মে মাসে যুক্তরাজ্যের মূল্যস্ফীতির হার পৌঁছে ৮ দশমিক ৭ শতাংশে, যা মূল্যস্ফীতি হ্রাসের আশাকে ধূলিসাৎ করে দেয় এবং এর পরিবর্তে একগুয়ে মূল্যস্ফীতি পরিস্থিতির স্থায়িত্ব সম্পর্কেও উদ্বেগ ছড়ায়।
প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়, সিদ্ধান্তটি মূলত ২০০৮ সালের আর্থিক সংকটের পর থেকে ব্যাংক অব ইংল্যান্ডের সুদহারকে সর্বোচ্চ স্তরে নিয়ে যাবে। আর্থিক সংকটের পর বর্তমানে সর্বোচ্চ স্তরে সুদহার বৃদ্ধি মুদ্রানীতির উল্লেখযোগ্য কঠোরতাকে নির্দেশ করে। কেন্দ্রীয় ব্যাংক সাধারণত মূল্যস্ফীতি মোকাবেলায় ও অর্থনীতিকে স্থিতিশীল করতে সুদহার বাড়ায়। তবে এ ধরনের পদক্ষেপ অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডকে আরো ক্ষতিগ্রস্ত করবে বলে মনে করছেন বিশ্লেষকরা।
তাছাড়া ব্যাংক অব ইংল্যান্ডের সম্ভাব্য সুদহার বৃদ্ধি যুক্তরাষ্ট্রের ফেডারেল রিজার্ভ ও ইউরোপীয় সেন্ট্রাল ব্যাংকসহ (ইসিবি) অন্যান্য প্রধান কেন্দ্রীয় ব্যাংকের সঙ্গে বৈসাদৃশ্যপূর্ণ। যুক্তরাষ্ট্রের কেন্দ্রীয় ব্যাংক সম্প্রতি সুদহার বৃদ্ধি স্থগিত করেছে। মূল্যস্ফীতির উল্লেখযোগ্য শিথিলতার পরই ফেড এ সিদ্ধান্ত নেয়।










