আমদানি শুরুর দুইদিনে দিনাজপুরের হিলি স্থলবন্দর দিয়ে ভারত থেকে তিনটি ট্রাকে ১১৩ টন চাল এসেছে।
এদিকে ভারত থেকে চাল আমদানির খবরে দেশীয় চালের বাজার স্থিতিশীল হতে শুরু করেছে।
দীর্ঘ সাড়ে তিন মাস পর পুনরায় হিলি স্থলবন্দর দিয়ে ভারত থেকে চাল আমদানি শুরু হয়েছে।
মঙ্গলবার দুপুর দেড়টায় ভারত থেকে একটি ট্রাকে ২৮ টন চাল দেশে প্রবেশের মধ্য দিয়ে বন্দর দিয়ে চাল আমদানি শুরু হয়।
বগুড়ার মেসার্স ঋত্বিক এন্টারপ্রাইজ এসব চাল আমদানি করে।
ভারতের মারুটি ইন্টারন্যাশনাল নামের প্রতিষ্ঠান এসব চাল রফতানি করেছে।
বুধবার আবারো বন্দর দিয়ে দুটি ট্রাকে ৮৫ টন চাল আমদানি হয়েছে।
তবে বৃহস্পতিবার বেলা সাড়ে ৩টা পর্যন্ত বন্দর দিয়ে নতুন করে আর কোনো চাল আমদানি হয়নি।
হিলি বাজারের চাল বিক্রেতা অনুপ বসাক বলেন, হিলিতে সব ধরনের চাল কেজিপ্রতি ৩-৪ টাকা করে কমেছে।
আটাশ জাতের চাল কমে ৪৫-৪৬ টাকায় ও মিনিকেট জাতের চাল ৫৪ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে।
চাল আমদানিকারক ললিত কেশেরা বলেন, চালের আমদানি শুল্ক কমানো ও বরাদ্দ দেয়ায় বন্দর দিয়ে চাল আমদানি শুরু হয়েছে।
পাইপলাইনে প্রচুর চালবোঝাই ট্রাক রয়েছে।
এসব চাল দেশে প্রবেশ করলে চালের দাম কমে আসবে।
বন্দর দিয়ে প্রতি টন চাল ৪৫০ মার্কিন ডলার মূল্যে ভারত থেকে আমদানি করা হয়েছে।
তবে কাস্টমস কত ডলার মূল্যে শুল্কায়ন করে সেটি দেখার বিষয়।
হিলি স্থলবন্দর আমদানি-রফতানিকারক গ্রুপের সভাপতি হারুন উর রশীদ বলেন, সরকারের বরাদ্দ পাওয়া সাপেক্ষে চাল আমদানির লক্ষ্যে এরই মধ্যেই আমরা এলসি খুলেছি।
ভারত থেকে চাল আমদানি শুরু হয়েছে।
হিলি স্থলবন্দরের আমদানিকারকরা খাদ্য মন্ত্রণালয় থেকে প্রায় ৬০ হাজার টনের মতো চাল আমদানির অনুমতি পেয়েছে।
আশা করছি, আগামী দু-একদিনের মধ্যেই সেই সংখ্যা আরো বাড়বে।
এদিকে চাহিদা বেশি থাকায় ভারতীয় ব্যবসায়ীরা চালের দাম বাড়িয়ে দিয়েছে।
আশা করছি, ভারতে চালের দাম কমে আসবে।
এতে দেশের বাজারেও দাম কমবে।
হিলি স্থলবন্দরের জনসংযোগ কর্মকর্তা সোহরাব হোসেন বলেন, চালের আমদানি শুল্ক বেশি থাকায় গত ৩০ এপ্রিল থেকে বন্দর দিয়ে চাল আমদানি বন্ধ ছিল।
সম্প্রতি সরকার চালের আমদানি শুল্ক কমানোর ফলে দীর্ঘ তিন মাস ২৩ দিন পর চাল আমদানি শুরু হয়েছে।
বন্দর দিয়ে পুনরায় চাল আমদানির ফলে সরকারের রাজস্ব আয় যেমন বাড়বে, তেমনি বন্দরের দৈনন্দিন আয় বাড়বে।
এসব চাল বাজারজাত হলে চালের দাম কমে আসবে।










