নভেল করোনাভাইরাসের নতুন ধরন ডেল্টার আঘাতে বড় ধরনের ক্ষতির শিকার হয় ভিয়েতনামের কফি উৎপাদন ও সরবরাহ খাত। আগস্টের শেষ দিকে নতুন করে লকডাউন ঘোষণা করায় প্রতিবন্ধকতা আরো তীব্র হয়ে ওঠে। এর প্রভাবে কমতে থাকে রফতানি। চলতি বছরের প্রথম নয় মাসে ভিয়েতনামের কফি রফতানি ৪ দশমিক ২ শতাংশ কমেছে। খবর বিজনেস রেকর্ডার।
দেশটির সরকারি তথ্য বলছে, ভিয়েতনাম বিশ্বের দ্বিতীয় শীর্ষ কফি উৎপাদনকারী দেশ। বিশেষ করে রোবাস্তা কফি উৎপাদনে দেশটি প্রসিদ্ধ। ভিয়েতনামের সবচেয়ে বড় শহর হো চি মিন বর্তমানে কফিসহ অন্যান্য পণ্য রফতানির প্রধান কেন্দ্র হয়ে উঠেছে। চীন থেকে শুরু করে ইউরোপ পর্যন্ত বিভিন্ন দেশে রফতানি কার্যক্রম পরিচালিত হয় এ শহর থেকেই। তবে ডেল্টার প্রাদুর্ভাবে দেশটির কফি রফতানি ব্যাহত হয়। এ কারণে দেখা দেয় বৈশ্বিক সরবরাহ সংকটের আশঙ্কাও। তবে ধীরে ধীরে পরিস্থিতির উন্নতি হচ্ছে। বছরের প্রথম নয় মাসে রফতানি কমলেও সেপ্টেম্বরে বেড়েছে। এ সময় দেশটি ১ লাখ ২০ হাজার টন কফি রফতানি করে, যা গত বছরের একই সময়ের তুলনায় ২০ দশমিক ৩ শতাংশ বেশি।
এদিকে লকডাউনের বিধিনিষেধ শিথিল হতে থাকায় ভিয়েতনামে কফির দাম কমছে। সেন্ট্রাল হাইল্যান্ডের কৃষকরা প্রতি কেজি কফি ৩৯ হাজার ৩০০ থেকে ৪১ হাজার ডং দামে বিক্রি করছেন। এক সপ্তাহ আগেও প্রতি কেজির দাম ছিল ৩৯ হাজার ৯০০ থেকে ৪১ হাজার ৪০০ ডং। লন্ডনের ইন্টারকন্টিনেন্টাল এক্সচেঞ্জে কফির নভেম্বরে সরবরাহ চুক্তিমূল্য ১ দশমিক ৬ শতাংশ কমে প্রতি টনের দাম দাঁড়িয়েছে ২ হাজার ১১০ ডলারে।










