খাদ্য ও আনুষঙ্গিক খাতের কোম্পানি জেমিনি সি ফুড পিএলসি পর্ষদ সভা ২৪ জানুয়ারি বেলা ৩টায় অনুষ্ঠিত হবে। সভায় চলতি ২০২৩-২৪ হিসাব বছরের দ্বিতীয় প্রান্তিকের (অক্টোবর-ডিসেম্বর) অনিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদন অনুমোদন করা হবে। ডিএসই সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।

এর আগে চলতি হিসাব বছরের প্রথম প্রান্তিকে (জুলাই-সেপ্টেম্বর) কোম্পানিটির শেয়ারপ্রতি আয় হয়েছে ১ টাকা ৯ পয়সা, আগের হিসাব বছরের একই সময় যা ছিল ৪ টাকা ৯ পয়সা। গত বছরের ৩০ সেপ্টেম্বর শেষে কোম্পানির শেয়ারপ্রতি নিট সম্পদমূল্য (এনএভিপিএস) দাঁড়িয়েছে ২৬ টাকা ১২ পয়সায়। 

সমাপ্ত ২০২৩ হিসাব বছরে ১০০ শতাংশ স্টক লভ্যাংশ ঘোষণা করেছিল। এর মধ্যে ৭৫ শতাংশ স্টক লভ্যাংশে নিয়ন্ত্রক সংস্থা বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনের (বিএসইসি) অনুমোদন পেয়েছে কোম্পানিটি। এ সময় কোম্পানিটি স্টক লভ্যাংশের পাশাপাশি সাধারণ বিনিয়োগকারীদের জন্য ২০ শতাংশ নগদ লভ্যাংশ ঘোষণা করেছিল। আলোচ্য হিসাব বছরে জেমিনি সি ফুডের ইপিএস হয়েছে ১৫ টাকা ৪৭ পয়সা, আগের হিসাব বছরে যা ছিল ৯ টাকা ৬১ পয়সা। গত ৩০ জুন শেষে কোম্পানিটির এনএভিপিএস দাঁড়িয়েছে ২৫ টাকা ৩ পয়সায়, আগের হিসাব বছরে যা ছিল ১০ টাকা ৭ পয়সা। 

সমাপ্ত ২০২১-২২ হিসাব বছরের জন্য শেয়ারহোল্ডারদের মোট ৪০ শতাংশ লভ্যাংশ দিয়েছে জেমিনি সি ফুড। এর মধ্যে ১০ শতাংশ নগদ (উদ্যোক্তা পরিচালক বাদে) ও ৩০ শতাংশ স্টক লভ্যাংশ। 

সমাপ্ত ২০২০-২১ হিসাব বছরে উদ্যোক্তা পরিচালক বাদে অন্য শেয়ারহোল্ডারদের ৫ শতাংশ নগদ লভ্যাংশ দিয়েছে জেমিনি সি ফুড। আলোচ্য হিসাব বছরে কোম্পানিটির ইপিএস হয়েছে ৭২ পয়সা। আগের হিসাব বছরে শেয়ারপ্রতি লেকাসান ছিল ৯ টাকা ৮৩ পয়সায়। ২০১৯-২০ হিসাব বছরে শেয়ারহোল্ডারদের কোনো লভ্যাংশ দেয়নি কোম্পানিটি। ২০১৮-১৯ হিসাব বছরে শেয়ারহোল্ডারদের ১০ শতাংশ স্টক লভ্যাংশ দেয় তারা। ২০১৭-১৮ হিসাব বছরে ১৫ শতাংশ স্টক লভ্যাংশ দিয়েছিল কোম্পানিটি। এছাড়া ২০১৬-১৭ হিসাব বছরের জন্য ১২৫ শতাংশ স্টক লভ্যাংশ পেয়েছিলেন কোম্পানিটির শেয়ারহোল্ডাররা।

১৯৮৫ সালে শেয়ারবাজারে তালিকাভুক্ত জেমিনি সি ফুডের অনুমোদিত মূলধন ৪০ কোটি ও পরিশোধিত মূলধন ১০ কোটি ৬৮ লাখ ৪০ হাজার টাকা। রিজার্ভে রয়েছে ৪ কোটি ৬০ লাখ টাকা। কোম্পানিটির মোট শেয়ার সংখ্যা ১ কোটি ৬ লাখ ৮৪ হাজার ১১১। এর মধ্যে ৩০ দশমিক শূন্য ১ শতাংশ উদ্যোক্তা পরিচালক, ১২ শতাংশ প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারী, দশমিক ৪১ শতাংশ বিদেশী বিনিয়োগকারী ও বাকি ৫৭ দশমিক ৫৮ শতাংশ শেয়ার সাধারণ বিনিয়োগকারীর কাছে রয়েছে। গত এক বছরে কোম্পানিটির শেয়ার দর ৩১৬ টাকা ৪০ পয়সা থেকে ৯৬১ টাকার মধ্যে ওঠানামা করেছে।