শর্তসাপেক্ষে ভাঙা চাল রফতানি শুরুর ঘোষণা দিয়েছে ভারত। সম্প্রতি এক প্রজ্ঞাপনে এ ঘোষণা দেয়া হয়। নতুন ঘোষণা অনুযায়ী, ৮ সেপ্টেম্বরের আগে ইস্যু করা ঋণপত্রের (এলসি) অধীনে ৩ লাখ ৯৭ হাজার ২৬৭ হাজার টন চাল রফতানি করা হবে।

সম্প্রতি ভাঙা চাল রফতানির ওপর নিষেধাজ্ঞা আরোপ করে ভারত সরকার। পাশাপাশি অন্যান্য চাল রফতানিতে ২০ শতাংশ শুল্ক আরোপ করা হয়। এতে অসন্তোষ দেখা দেয় রফতানিকারক ও ক্রেতাদের মাঝে। ক্রেতারা অতিরিক্ত শুল্ক পরিশোধে অস্বীকৃতি জানালে বন্দরগুলোয় ১০ লাখ টনেরও বেশি চাল আটকা পড়ে। নিষেধাজ্ঞার কারণে এলসি করা চাল রফতানি নিয়ে বিপাকে পড়েন ভারতের রফতানিকারকরা। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের লক্ষ্যে আগের এলসি করা চাল রফতানির সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে।

ভারত বিশ্বের শীর্ষ চাল রফতানিকারক দেশ। ৮ সেপ্টেম্বর দেশটির সরকার চাল রফতানিতে নিষেধাজ্ঞা আরোপ করে। উদ্দেশ্য চাহিদার আলোকে পর্যাপ্ত সরবরাহ নিশ্চিত করা এবং বাজার নিয়ন্ত্রণে রাখা।

রাইস এক্সপোর্টার্স অ্যাসোসিয়েশনের প্রেসিডেন্ট বিভি কৃষ্ণ রাও বলেন, এরই মধ্যে ইস্যুকৃত এলসির অধীনে চাল রফতানির অনুমতি দেয়া ব্যবসায়ীরা লাভবান হবেন। কারণ অনেক কার্গো এখনো বন্দরে আটকে আছে। ক্রেতারা দ্রুত খালাসের অনুরোধ জানাচ্ছেন।

তিনি আরো বলেন, ভারত রফতানিতে নিষেধাজ্ঞা আরোপ করায় আফ্রিকা মহাদেশের নিম্ন আয়ের দেশগুলো বিপাকে পড়েছে। তারা অন্যান্য উৎস থেকে বেশি দামে চাল কিনতে বাধ্য হচ্ছে। রফতানি পুনরায় চালু হলে এ সংকট কেটে যাবে।