বীকন ফার্মাসিউটিক্যালস পিএলসির গত সপ্তাহের চার কার্যদিবসে শেয়ারদর কমেছে ১২ দশমিক ৮২ শতাংশ। আলোচ্য সপ্তাহে কোম্পানিটির ৩৯ কোটি ৬৭ লাখ ১০ হাজার টাকার শেয়ার লেনদেন হয়েছে, দৈনিক গড় হিসাবে যা ছিল ৯ কোটি ৯১ লাখ ৮০ হাজার টাকা। ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।
বাজার পর্যালোচনায় দেখা যায়, ১৮ ফেব্রুয়ারি বীকন ফার্মার শেয়ারদর ছিল ২৫৩ টাকা ২০ পয়সা। সর্বশেষ গত বৃহস্পতিবার কোম্পানিটির শেয়ারদর কমে দাঁড়িয়েছে ২৩৬ টাকা।
চলতি ২০২৩-২৪ হিসাব বছরের প্রথমার্ধে (জুলাই-ডিসেম্বর) কোম্পানিটির শেয়ারপ্রতি আয় (ইপিএস) আগের হিসাব বছরের একই সময়ের তুলনায় ২৫ শতাংশ বেড়েছে। প্রতিবেদন অনুসারে, চলতি হিসাব বছরের প্রথমার্ধে কোম্পানিটির ইপিএস হয়েছে ৩ টাকা ২৫ পয়সা, আগের হিসাব বছরের একই সময় যা ছিল ২ টাকা ৬০ পয়সা। আলোচ্য হিসাব বছরের দ্বিতীয় প্রান্তিকে (অক্টোবর-ডিসেম্বর) ইপিএস হয়েছে ১ টাকা ৬৫ পয়সা, যা আগের হিসাব বছরের একই সময়ে ছিল ১ টাকা ৬১ পয়সা। গত ৩১ ডিসেম্বর শেষে কোম্পানির শেয়ারপ্রতি নিট সম্পদমূল্য (এনএভিপিএস) দাঁড়িয়েছে ২৭ টাকা ৩৮ পয়সায়।
সর্বশেষ সমাপ্ত ২০২৩ হিসাব বছরে শেয়ারহোল্ডারদের জন্য ১৬ শতাংশ নগদ লভ্যাংশ সুপারিশ করেছে বীকন ফার্মাসিউটিক্যালসের পর্ষদ। আলোচ্য সময়ে কোম্পানিটির ইপিএস কমেছে ৪৫ শতাংশেরও বেশি। নিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদন অনুসারে, ২০২৩ হিসাব বছরে ওষুধ ও রসায়ন খাতের কোম্পানিটির ইপিএস হয়েছে ২ টাকা ২১ পয়সা, আগের হিসাব বছরে যা ছিল ৪ টাকা ৫ পয়সা। গত বছরের ৩০ জুন শেষে কোম্পানির এনএভিপিএস দাঁড়িয়েছে ২৫ টাকা ৭২ পয়সায়, আগের হিসাব বছরে শেষে যা ছিল ২৫ টাকা ৭৩ পয়সা।
২০২১-২২ হিসাব বছরে বীকন ফার্মাসিউটিক্যালসের ইপিএস হয়েছে ৪ টাকা ৫ পয়সা, যেখানে এর আগের হিসাব বছরে ইপিএস ছিল ৩ টাকা ৭৪ পয়সা। ৩০ জুন ২০২২ শেষে কোম্পানিটির এনএভিপিএস দাঁড়ায় ২৫ টাকা ৭৩ পয়সায়। আলোচ্য হিসাব বছরে বিনিয়োগকারীদের ১৬ শতাংশ নগদ লভ্যাংশ দেয় কোম্পানিটি।
এর আগে ২০২০ সালের ৩০ জুন সমাপ্ত হিসাব বছরে ৬ শতাংশ নগদ লভ্যাংশ দিয়েছিল কোম্পানিটি। আলোচ্য সময়ে কোম্পানিটির ইপিএস ছিল ১ টাকা ৬৫ পয়সা, আগের হিসাব বছরের একই সময়ে যা ছিল ৫১ পয়সা।
২০১০ সালে পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত হওয়া বীকন ফার্মাসিউটিক্যালসের অনুমোদিত মূলধন ৩০০ কোটি টাকা। পরিশোধিত মূলধন ২৩১ কোটি টাকা। রিজার্ভে রয়েছে ৩৬৩ কোটি ২০ লাখ টাকা। মোট শেয়ার সংখ্যা ২৩ কোটি ১০ লাখ। এর মধ্যে ৩৯ দশমিক ৮৬ শতাংশ রয়েছে উদ্যোক্তা-পরিচালকদের হাতে। এছাড়া ৩৬ দশমিক ৫১ শতাংশ প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারী ও বাকি ২৩ দশমিক ৬৩ শতাংশ শেয়ার সাধারণ বিনিয়োগকারীদের হাতে রয়েছে।










