ফুকুশিমা পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্র থেকে বর্জ্য পানি নিষ্কাশনের কারণে জাপানের সামুদ্রিক পণ্যের ওপর চীনের নিষেধাজ্ঞা সত্ত্বেও ২০২৩ সালে জাপানের কৃষি, মৎস্য ও বনজ পণ্য রফতানি ২০২২ সালের সমান হতে পারে। চলতি সপ্তাহে প্রকাশিত দেশটির সরকারি তথ্যানুযায়ী, জানুয়ারি-নভেম্বরে রফতানি ২০২২ সালের তুলনায় ২ দশমিক ৮ শতাংশ বেড়ে ১ দশমিক ২৮ ট্রিলিয়ন ইয়েন বা ৮৯০ কোটি ডলারে পৌঁছেছে। খবর দ্য মাইনিচি।
জাপানের কৃষি, বন ও মৎস্য মন্ত্রণালয়ের প্রতিবেদন অনুযায়ী, এ প্রবৃদ্ধি চীনের বাইরে সম্প্রসারিত বিক্রির মাধ্যমে অর্জিত হয়েছে। ২০২২ সালে এ পণ্যগুলোর জাপানি রফতানি রেকর্ড ১ দশমিক ৪ ট্রিলিয়ন ইয়েনে পৌঁছেছিল।
গত বছর শুধু নভেম্বরে রফতানি ৮ দশমিক ৬ শতাংশ কমে ১১ হাজার ১১০ কোটি ইয়েনে দাঁড়ায়, যা আগস্টের শেষ দিকে বেইজিংয়ের নিষেধাজ্ঞার পর চীনগামী সামুদ্রিক খাদ্য রফতানিতে ৮৬ দশমিক ৯ শতাংশ কমে ১০০ কোটি ইয়েনে নেমে আসে।
জাপানের সরকার ২০২৫ সালের মধ্যে বার্ষিক কৃষি ও সামুদ্রিক খাদ্য রফতানি ২ ট্রিলিয়ন ইয়েন ও ২০৩০ সাল নাগাদ ৫ ট্রিলিয়ন ইয়েনে উন্নীত করার লক্ষ্য নিয়েছে। জাপানের ফার্ম মন্ত্রণালয় এ লক্ষ্য অর্জনের জন্য বার্ষিক রফতানি প্রবৃদ্ধি ১২ শতাংশেরও বেশি করার প্রয়োজনীয়তা তুলে ধরেছে। তবে আশঙ্কা রয়েছে, জাপানি সামুদ্রিক পণ্যের ওপর চীনের দীর্ঘায়িত নিষেধাজ্ঞা এক প্রকার চ্যালেঞ্জ তৈরি করতে পারে।
নভেম্বরে চীনে জাপানের কৃষি, বন ও মৎস্যজাত পণ্যের মোট রফতানি ৪৮ দশমিক ৫ শতাংশ কমে ১ হাজার ৩১০ কোটি ইয়েনে দাঁড়িয়েছে, যা টানা পঞ্চম মাসের মতো কমেছে।
অন্যদিকে যুক্তরাষ্ট্রে রফতানি ৩১ দশমিক ৩ শতাংশ বেড়ে ১ হাজার ৬৫০ কোটি ইয়েনে পৌঁছেছে, যা প্রাথমিকভাবে গ্রিন টিসহ চীনা বাজারের জন্য প্রস্তুতকৃত স্ক্যালপ অর্থাৎ এক ধরনের শামুকের শক্তিশালী বিক্রির মাধ্যমে অর্জিত হয়েছে। এছাড়া হংকংয়ে মুক্তা ও গরুর মাংসের চালান বাড়ার কারণে রফতানি ৫ দশমিক ৫ শতাংশ বেড়ে ২ হাজার ২৬০ কোটি ইয়েনে উন্নীত হয়েছে।










