ভারতীয় পণ্যবাহী ট্রাকচালকদের করোনা নেগেটিভ সনদ নিয়ে বাংলাদেশে প্রবেশের দাবিতে হিলি স্থলবন্দরে গতকাল প্রায় দেড় ঘণ্টা বন্ধ ছিল সব ধরনের আমদানি-রফতানি কার্যক্রম। পরবর্তী সময়ে ভারতীয় চালকরা করোনা নেগেটিভ সনদ নিয়ে প্রবেশ করবে—এমন আশ্বাসের ভিত্তিতে দুপুর থেকে পুনরায় কার্যক্রম চালু করা হয়।

এর আগে গতকাল সকাল থেকেই করোনা পরীক্ষা ও সনদ ছাড়া ভারতীয় চালকরা ট্রাক নিয়ে বাংলাদেশে প্রবেশ করায় বন্দরের আমদানি-রফতানি বন্ধ করে দেন হাকিমপুর (হিলি) পৌরসভা মেয়র জামিল হোসেন। এ সময় তার সঙ্গে উপস্থিত ছিলেন পৌরসভার কাউন্সিলররা।

মেয়র জামিল হোসেন বলেন, ভারতে প্রতিদিন করোনায় আক্রান্ত ও মৃত্যুর সংখ্যা উল্লেখযোগ্য হারে বাড়ছে, এমনকি করোনার ভারতীয় ভ্যারিয়েন্ট খুব ভয়াবহ। এ অবস্থায় পার্শ্ববর্তী দেশ হিসেবে আমাদের জন্য এটি বেশ আতঙ্কের।

জামিল হোসেন জানান, ভারতীয় ট্রাকচালক ও সহকারীদের করোনা টিকার কার্ড বা করোনা নেগেটিভ সনদ নিয়ে দেশে প্রবেশ করতে এক মাস আগেই ভারতীয় ব্যবসায়ীদের অবগত করা হয়েছিল। বাংলাদেশী সিঅ্যান্ডএফ এজেন্ট মারফত এ ব্যাপারে পত্র দেয়া হলেও এখন পর্যন্ত কোনো ব্যবস্থা নেয়া হয়নি।

এ অবস্থায় বন্দরের কার্যক্রম বন্ধ করে দেয়ার পর বাংলাদেশী সিঅ্যান্ডএফ এজেন্ট ও ভারতীয় সিঅ্যান্ডএফ এজেন্ট আলোচনা করে ৩১ মে থেকে ভারতীয় চালকদের করোনা টিকার কার্ড বা নেগেটিভ সনদ নিয়ে প্রবেশের বা বাংলাদেশে প্রবেশের সময় অ্যান্টিজেন টেস্টের মাধ্যমে করোনা পরীক্ষার ব্যবস্থা করা হবে বলে আশ্বস্ত করা হয়। সেই আশ্বাসের পরিপ্রেক্ষিতে বন্দর দিয়ে পুনরায় আমদানি-রফতানি শুরু হয়েছে।