অস্ট্রেলিয়ার কৃষকরা এপ্রিল-জুনের মধ্যে গম আবাদ করেন এবং সংগ্রহ শুরু করেন ডিসেম্বরের প্রথম থেকে। কারণ দক্ষিণ গোলার্ধে বসন্ত শুরু হয় সেপ্টেম্বরে। এ সময় দেশটির গম চাষের জন্য খুব গুরুত্বপূর্ণ। কৃষিপণ্যটির বেড়ে ওঠার ক্ষেত্রে এ সময়ের আবহাওয়া সবচেয়ে বেশি প্রভাব রাখে। সেপ্টেম্বরের অনুকূল আবহাওয়া দেশটির গম উৎপাদনে চাঙ্গা ভাব বয়ে আনে আর প্রতিকূলে আবহাওয়ার ক্ষেত্রে ঘটে এর বিপরীত।

এবার বিরূপ আবহাওয়ায় দেশটির গম উৎপাদনে মন্দা ভাব বজায় রয়েছে। রফতানিও কমেছে আগের তুলনায় অনেক।

২০১৬-১৭ রফতানি মৌসুমে দেশটি মোট ৩ কোটি ৫১ লাখ টন গম রফতানি করে বিশ্বের তৃতীয় শীর্ষ রফতানিকারকের মর্যাদা লাভ করে।  চলতি বছরের জুনে অস্ট্রেলিয়া পণ্যটির বৈশ্বিক সরবরাহ অবস্থান থেকে সরে সপ্তমে নেমে আসে।

এদিকে গমের উৎপাদন উল্লেখযোগ্য হারে কমে আসা এবং নিম্নমানের ফলন হওয়ায় অস্ট্রেলিয়া এশিয়ায় নিজেদের বাজার হারাতে বসেছে। উপরন্তু গত মে মাসে দেশটি এক দশকের মধ্যে কৃষিপণ্যটি আমদানির জন্য প্রথম চালানের অনুমতি দিয়েছে আমদানিতে আগ্রহীদের।

 সূত্র: রয়টার্স