পোষা প্রাণীপণ্য শিল্পের একটি উল্লেখযোগ্য অংশ হলো কুকুরের পোশাক। বিশ্ববাজারে কুকুরের পোশাক কোটি কোটি টাকার অবদান রাখে। কুকুরের আকার, বয়স, স্বাস্থ্য প্রভৃতির ওপর ভিত্তি করে সময়ের সঙ্গে সঙ্গে বিকশিত হয়েছে কুকুরের ফ্যাশন ও পোশাকের ধারণা। ১৬ শতকে যখন মূলত শিকারের জন্য কুকুর পোষা হতো তখন কুকুরের গলার বেল্টগুলো ছিল ধাতব পদার্থের ও কাঁটাযুক্ত। কালক্রমে তা নরম ও আরামদায়ক বেল্টে পরিণত হয়েছে। সেই সঙ্গে বর্তমানে কুকুরের গলার বেল্টই শুধু নয়, শরীরের পোশাকও একটি বিশাল জায়গা করে নিয়েছে পোশাক শিল্পের বাজারে। কুকুরের পোশাক বাজার এতটা বিস্তৃত হওয়ার পেছনে করোনা মহামারী সময়কালের প্রভাব বিদ্যমান বলে মনে করেন বিশ্লেষকরা। যুক্তরাষ্ট্রের পেট প্রডাক্টস অ্যাসোসিয়েশনের তথ্যানুসারে, প্রাক-মহামারীতে পোষা প্রাণীর ওপর ব্যয় ধীরে ধীরে ও অবিচ্ছিন্নভাবে বৃদ্ধি পেয়েছিল। আর মহামারীর সময়ে ২০২০ সালে এ ব্যয় ১০ হাজার ৪০০ কোটি ডলারে উন্নীত হয়। ২০২৩ সালের শেষ পর্যন্ত ১৪ হাজার ৮০০ কোটি ডলারে বৃদ্ধি পেয়েছিল পোষা প্রাণীর ওপর করা ব্যয়। ২০৩০ সালে প্রায় ২৮ হাজার কোটি ডলারে উন্নীত হবে বলে আশা করা হচ্ছে।
বিস্তৃত হচ্ছে পোষা প্রাণীর পোশাকের বাজার
পোষা প্রাণীপণ্য শিল্পের একটি উল্লেখযোগ্য অংশ হলো কুকুরের পোশাক। বিশ্ববাজারে কুকুরের পোশাক কোটি কোটি টাকার অবদান রাখে। কুকুরের আকার, বয়স, স্বাস্থ্য প্রভৃতির ওপর ভিত্তি করে সময়ের সঙ্গে










