২০২০ সালের অক্টোবরের পর চলতি বছরের মে মাসে কানাডা বৃহত্তম বাণিজ্য ঘাটতির সম্মুখীন, শস্য ও জ্বালানি পণ্য রফতানি হ্রাস ও অটোমোবাইলে আমদানি প্রবণতা বৃদ্ধির ঘটনা বিশ্লেষকদের বিস্মিত করেছে। কানাডার পরিসংখ্যান ইনস্টিটিউট জানিয়েছে, দুই মাসের উদ্বৃত্তের পরে দেশটি ২ দশমিক ৫ বিলিয়ন মার্কিন ডলার সমমূল্যের বাণিজ্য ঘাটতির রেকর্ড করেছে। রফতানি কমেছে ৩ দশমিক ৮ শতাংশ, যার দুই-তৃতীয়াংশই ছিল জ্বালানি, কৃষি ও খাদ্যপণ্য। খবর ফ্রি মালয়েশিয়া টুডে।

কানাডার পরিসংখ্যান ইনস্টিটিউটের মতে, বিশ্বব্যাপী সরবরাহের উন্নতির কারণে কানাডিয়ান শস্যের চাহিদা কমেছে, বিশেষ করে গম ও ক্যানোলার চাহিদা কমেছে বেশি। উপরন্তু, জ্বালানি খাত, যা কানাডিয়ান অর্থনীতির অন্যতম প্রধান চালক, সেখানেও কম দামের কারণে মে মাসে তার রফতানি ৭ দশমিক ৩ শতাংশ কমেছে। আমদানির দিক থেকে বেশির ভাগ খাত বেড়েছে। প্রাথমিকভাবে যুক্তরাজ্য থেকে রুপার বড় চালানের কারণে স্বর্ণ, রুপা, প্লাটিনাম জাতের ধাতু এবং তাদের মিশ্রণের আমদানি ৪২ দশমিক ৮ শতাংশেরও বেশি উল্লেখযোগ্য হারে বেড়েছে।

মূল্যবান ধাতু আমদানি বৃদ্ধির পেছনে অর্থনৈতিক অনিশ্চয়তাকে দায়ী করা হয়। মোটরযান ও যন্ত্রাংশ আমদানিও বেড়েছে ৪ দশমিক ৫ শতাংশ। কানাডার বৃহত্তম বাণিজ্য অংশীদার মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে বাণিজ্য উদ্বৃত্ত ৬ দশমিক ৭7বিলিয়ন মার্কিন ডলারে সংকুচিত হয়েছে। সামগ্রিক বাণিজ্য ঘাটতি সত্ত্বেও এটি লক্ষণীয় যে কানাডা এপ্রিলে ৮৯৪ মিলিয়ন কানাডীয় ডলারের বাণিজ্য উদ্বৃত্ত রেকর্ড করেছে। বাণিজ্য ভারসাম্য ওঠানামা কানাডার বাণিজ্য কর্মক্ষমতার ওপর বৈশ্বিক সরবরাহ সম্প্রসারণ, মূল্যের প্রবণতা ও অর্থনৈতিক অনিশ্চয়তার প্রভাবকে তুলে ধরছে।