ব্রাজিলে ২০২২-২৩ বিপণন মৌসুমে খাদ্যশস্য উৎপাদন রেকর্ড ৩১ কোটি ৫৮ লাখ টনে উন্নীত হতে পারে। দেশটির জাতীয় খাদ্য সরবরাহ কোম্পানি কোনাবের নবম শস্য সংগ্রহ সমীক্ষায় এ তথ্য উঠে এসেছে।

কোনাব জানায়, ২০২২-২৩ মৌসুমে ব্রাজিলে খাদ্যশস্য উৎপাদন আগের মৌসুমের চেয়ে ৪ কোটি ৩২ লাখ টন বা ১৫ দশমিক ৮ শতাংশ বাড়তে পারে। এ মৌসুমে আবাদি জমির পরিমাণ ধরা হয়েছে ৭ কোটি ৮১ হেক্টর। গত মৌসুমের চেয়ে তা ৪ দশমিক ৮ শতাংশ বেশি। 

কোনাবের প্রেসিডেন্ট এডগার প্রেটো বলেন, ‘‌ব্রাজিলের সার্বিক উন্নয়নে কৃষি একটি গুরুত্বপূর্ণ খাত। এ মৌসুমে আমাদের দেশের কৃষিপণ্য উৎপাদন রেকর্ড সর্বোচ্চ পর্যায় স্পর্শ করতে পারে।’

এ মৌসুমে সয়াবিন উৎপাদন সবচেয়ে বড় প্রবৃদ্ধি দেখতে পারে বলে মনে করছে কোনাব। এরই মধ্যে সয়াবিন সংগ্রহ কার্যক্রম সম্পন্ন হয়েছে। তেলবীজ উৎপাদন ১৫ কোটি ৫৭ লাখ টনে উন্নীত হতে পারে। গত মৌসুমের চেয়ে এর উৎপাদন ২৪ শতাংশ বাড়বে। 

এদিকে ভুট্টা উৎপাদনও রেকর্ড সর্বোচ্চে পৌঁছতে পারে বলে জানিয়েছে কোনাব। উৎপাদনের পরিমাণ দাঁড়াতে পারে ১২ কোটি ৫৭ লাখ টনে। ২০২১-২২ মৌসুমের ‍তুলনায় উৎপাদন ১১ দশমিক ১ শতাংশ বা ১ কোটি ২৬ লাখ টন বাড়বে। শস্যটির প্রথম পর্যায়ের সংগ্রহ কার্যক্রম এরই মধ্যে শেষ হয়েছে। এ পর্যায়ে উৎপাদন হতে পারে ২ কোটি ৭১ লাখ টন। দ্বিতীয় ধাপে উৎপাদনের পরিমাণ দাঁড়াতে পারে ৯ কোটি ৬৩ লাখ টনে। 

উৎপাদন বাড়ার কারণে সয়াবিন ও ভুট্টা রফতানিতেও প্রবৃদ্ধির সম্ভাবনা রয়েছে। এর মধ্যে সয়াবিন রফতানির পরিমাণ ৯ কোটি ৫৬ লাখ টন ও ভুট্টা রফতানির পরিমাণ ৪ কোটি ৮০ লাখ টনে উন্নীত হতে পারে বলে জানায় কোনাব। 

শীতকালীন শস্যের মধ্যে গম উৎপাদন ৯৮ লাখ টনে পৌঁছানোর সম্ভাবনা রয়েছে। ৩৪ লাখ হেক্টর জমিতে এর আবাদ হতে পারে। আগের মৌসুমের চেয়ে আবাদ বাড়বে ৯ দশমিক ৭ শতাংশ।