ফিউচার মার্কেটে গতকাল বেড়েছে মালয়েশীয় পাম অয়েলের দাম। মাসিক উৎপাদন তথ্য প্রকাশের আগে ব্যবসায়ীরা সতর্কতার সঙ্গে লেনদেন করছেন। নভেম্বরে উদ্ভিজ্জ তেলটির উৎপাদন হার কমার তথ্য বাজারে সরবরাহ উদ্বেগ বাড়িয়ে তুলতে পারে। এমন আশঙ্কায় বাজার ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতায় পড়েছে। খবর বিজনেস রেকর্ডার।
বুরসা মালয়েশিয়া ডেরিভেটিভস এক্সচেঞ্জে গতকাল ফেব্রুয়ারিতে সরবরাহ চুক্তিতে পাম অয়েলের দাম বেড়েছে ২৬ রিঙ্গিত বা দশমিক ৬৭ শতাংশ। প্রতি টনের মূল্য স্থির হয়েছে ৩ হাজার ৮৯৮ রিঙ্গিত বা ৮৩৮ ডলার ২৮ সেন্টে, যা গত ১০ নভেম্বরের পর সর্বোচ্চ।
মালয়েশিয়ার পাম অয়েল অ্যাসোসিয়েশনের প্রাক্কলন অনুযায়ী, ১-২০ নভেম্বর পর্যন্ত পাম অয়েল উৎপাদনের পরিমাণ ৩ দশমিক ৮৯ শতাংশ কমেছে। অন্যদিকে পর্যবেক্ষক সংস্থা অ্যামস্পেক এগ্রি মালয়েশিয়ার তথ্য বলছে, ১-২০ নভেম্বরের মধ্যে মালয়েশিয়ার পাম অয়েল পণ্যের রফতানি গত মাসের তুলনায় ২-৯ শতাংশের মধ্যে হ্রাস পেয়েছে।
ব্যবসায়ীদের আশঙ্কা নভেম্বরে উৎপাদন হ্রাসের হার দুই অংকের ঘরে উঠতে পারে। উৎপাদন কমার খবর বাজারে পণ্যটির দামের ওপর ঊর্ধ্বমুখী প্রভাব ফেলবে বলে মনে করছেন বাজার বিশ্লেষকরা।
এদিকে বাজার ও আর্থিক বিশ্লেষক প্রতিষ্ঠান বিএমআই ইন্ডাস্ট্রি রিসার্চ সম্প্রতি এক পূর্বাভাসে জানিয়েছে, আবহাওয়ায় এল নিনোর প্রভাবে আগামী বছর পাম অয়েলের দাম বাড়তে পারে। বিএমআই বলছে, এল নিনোর প্রভাবে দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার আবহাওয়া অস্বাভাবিক শুষ্ক হয়ে যাবে। এ কারণে ইন্দোনেশিয়া ও মালয়েশিয়ায় পাম অয়েল আবাদের পরিমাণ নিম্নমুখী হয়ে যেতে পারে। বিশেষ করে ২০২৪ সালের দ্বিতীয়ার্ধে পাম অয়েলের ফলন কমে আসবে বলে মনে করছে গবেষণা প্রতিষ্ঠানটি।










