ইরানের হাতে অপরিশোধিত জ্বালানি তেলের উল্লেখযোগ্য পরিমাণ মজুদ আছে। চলমান সংকটে দ্রুতই এসব তেল বাজারে সরবরাহ করতে প্রস্তুত বলে জানিয়েছে দেশটি। এক্ষেত্রে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে পরমাণু চুক্তি চূড়ান্ত হওয়া জরুরি। খবর অয়েলপ্রাইস ডটকম।

জ্বালানি তেলের বাজার বিশ্লেষক প্রতিষ্ঠান অয়েলএক্স চলতি মাসের শুরুর দিকে দাবি করে, ইরানের হাতে বর্তমানে চার কোটি ব্যারেলের কাছাকাছি পরিমাণ অপরিশোধিত জ্বালানি তেলের মজুদ আছে। এর মধ্যে বেশির ভাগই সম্ভবত কনডেনসেট।

ভরটেক্সার প্রাক্কলন অনুযায়ী, ইরানিয়ান অপরিশোধিত জ্বালানি তেলের মজুদ ছয়-সাত কোটি ব্যারেলে অবস্থান করছে। তবে বাজার বিশ্লেষক প্রতিষ্ঠান কেপলারের দেয়া হিসাব অনুযায়ী, মজুদ ৯ কোটি ৩০ লাখ ব্যারেল।

তবে সহসাই এসব জ্বালানি তেল সরবরাহ করা সম্ভব হবে না বলে মনে করছেন বিশ্লেষকরা। কারণ সরবরাহের জন্য প্রথমে বীমা ও জাহাজীকরণসংক্রান্ত চুক্তি সম্পন্ন করতে হবে।

জেটিডি এনার্জি সার্ভিসের জন ড্রিসকল বলেন, ইরান জ্বালানি তেলের বৃহৎ মজুদ তৈরি করেছে। বাজারে এসব তেল প্রবেশ করা খুবই জরুরি।

পরমাণু চুক্তি পুনরুজ্জীবিত করতে ইউরোপীয় ইউনিয়ন বর্তমানে মধ্যস্থতা করছে। ইউরোপীয় ইউনিয়নের প্রস্তাব অনুযায়ী চুক্তি চূড়ান্ত করার কথা ভাবছে ইরান ও যুক্তরাষ্ট্র।

ফাইন্যান্সিয়ান টাইমসের এক প্রতিবেদন অনুযায়ী, যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে পরমাণু চুক্তি পুনরুজ্জীবিত হলে আন্তর্জাতিক বাজারে ইরান প্রতি মাসে দৈনিক ১৩ লাখ ব্যারেল করে জ্বালানি তেল সরবরাহ করতে পারবে। এতে জ্বালানি তেলের বৈশ্বিক বাজার অনেকটাই স্থিতিশীল হয়ে উঠবে।