বেনাপোল বন্দরে মিথ্যা ঘোষণা দিয়ে আমদানীকৃত ১ কোটি ২০ লাখ টাকা মূল্যের ৩১৪ ড্রাম কেমিক্যাল পণ্যের একটি চালান আটক করেছেন কাস্টমস সদস্যরা। জাতীয় নিরাপত্তা গোয়েন্দা সংস্থার (এনএসআইয়) দেয়া তথ্যের ভিত্তিতে গতকাল দুপুরে বেনাপোল কাস্টমস কর্তৃপক্ষ চালানটি আটক করে।

বেনাপোল এনএসআই অফিস সূত্রে জানা যায়, গত ২২ আগস্ট আমদানিকারক এশিয়ান পেইন্ট বাংলাদেশ লিমিটেড ভারতীয় তিনটি ট্রাকে ৩১৪ ড্রামে ৪৮ হাজার কেজি কেমিক্যাল আমদানি করে, যার আনুমানিক মূল্য ১ কোটি ২০ লাখ টাকা। এসব পণ্য তারিক এন্টারপ্রাইজ নামে সিঅ্যান্ডএফ এজেন্ট বন্দরের ৯ নাম্বার পণ্যাগারে খালাস করে। পণ্য চালানটির বিষয়ে ঘোষণাপত্র-বহির্ভূত অধিক ওজন ও শুল্ক ফাঁকির তথ্য আসে এনএসআইয়ের বেনাপোল শাখার কর্মকর্তাদের কাছে।

পরে এনএসআই সদস্যরা পণ্যগুলোর ওপর নজরদারি শুরু করে। গতকাল কাস্টম হাউজের পরীক্ষণ ছাড়াই বাংলাদেশী তিনটি ট্রাকে লোড দিয়ে খালাস নেয়ার চেষ্টা করলে কাস্টমস কমিশনারকে অবগত করা হয়। পরে কাস্টমস সদস্যরা কেমিক্যালের চালান জব্দ করে পরীক্ষার জন্য নমুনা সংগ্রহ করতে পণ্য চালানটি বেনাপোল কাস্টম হাউজে নিয়ে যায়। পরবর্তী সময়ে জানা যায়, প্রায় এক টন কেমিক্যাল ঘোষণার অতিরিক্ত রয়েছে। এছাড়া ঘোষণা দেয়া দেড় টন কেমিক্যালের কোনো হদিস নেই। পরে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণে চালানটি আটক করা হয়।

বেনাপোল চেকপোস্ট কাস্টম হাউজের উপকমিশনার অনুপম চাকমা বলেন, কেমিক্যাল পণ্যের চালান কাস্টমস হেফাজতে রয়েছে। তদন্তপূর্বক অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

এর আগে ১৯ সেপ্টেম্বর এনএসআইয়ের তথ্যের ভিত্তিতে বেনাপোল বন্দরে শুল্ক ফাঁকির উদ্দেশ্যে মিথ্যা ঘোষণায় আমদানীকৃত চার আমদানিকারকের ১ কোটি ১৮ লাখ টাকার পণ্য আটক করেন কাস্টমস সদস্যরা।