তিমি আকৃতির নতুন এয়ারশিপ উৎপাদনে যেতে চায় সংযুক্ত আরব আমিরাত। ফ্রান্সের একটি কোম্পানির সঙ্গে অংশীদারত্বের ভিত্তিতে এটি উৎপাদনে যেতে চায় দেশটি। ফ্লাইং হোয়েল নামের এসব আকাশযান তৈরিতে এরই মধ্যে উভয় পক্ষের আলোচনা শুরু হয়েছে। 

সূত্রের বরাত দিয়ে সংবাদমাধ্যম খালিজ টাইমস জানিয়েছে, দুবাইয়ে এ কারখানা স্থাপন হলে সেখানে প্রায় এক হাজার মানুষের কর্মসংস্থান তৈরি হবে। 

স্তন্যপায়ী সামুদ্রিক প্রাণী তিমির আদলে তৈরীকৃত এয়ারশিপগুলোর একেকটির দৈর্ঘ্য হবে ২০০ মিটার। ব্যাস থাকবে ৫০ মিটারের। থাকবে ৯৬ মিটার লম্বা কার্গো বে। কার্গো এয়ারশিপ হিসেবে এটি ব্যবহার করা যাবে। সম্পূর্ণ বিদ্যুচ্চালিত এয়ারশিপটি ভারী বোঝা লোড ও আনলোড করতে পারবে। 

এয়ারশিপটির নিরাপত্তা ব্যবস্থা হবে ইউরোপিয়ান এভিয়েশন সেফটি এজেন্সি (ইএএসএ) ও যুক্তরাষ্ট্রের ফেডারেল এভিয়েশন অথরিটি (এফএএ) থেকে স্বীকৃতিপ্রাপ্ত। ভারী জিনিসপত্র বহনে এটি হেলিকপ্টারের মতো কাজ করবে। উদাহরণ হিসেবে বলা হচ্ছে, দূরবর্তী স্থানে ভ্রাম্যমাণ হাসপাতাল হিসেবে কাজ করতে পারবে ফ্লাইং হোয়েল। 

ফ্লাইং হোয়েল প্রকল্পের চেয়ারম্যান ও প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তার দায়িত্ব পালন করছেন সেবাস্তিয়ান বাজিন। তিনি বলেন, ‘‌আমরা আলোচনা শুরু করেছি। যদি এখানে একটি কারখানা স্থাপন করতে পারি, তাহলে ২০২৭ সালে উৎপাদন শুরু হবে। যেখানে সরাসরি ৩০০ লোকের কর্মসংস্থান হবে। এছাড়া যেহেতু অন্য কনসোর্টিয়াম কোম্পানিগুলো যন্ত্রাংশ উৎপাদন করতে সংযুক্ত আরব আমিরাতে আসবে, ফলে মোট এক হাজার কর্মসংস্থান তৈরি হবে।’ 

তিনি জানান, এয়ারশিপটি ৬০ টন পর্যন্ত পণ্যসামগ্রী নিয়ে কয়েক হাজার কিলোমিটার পর্যন্ত উড়াল দিতে সক্ষম। এটি বিদ্যুচ্চালিত হওয়ায় কার্বন নিঃসরণের হার থাকবে শূন্য।’ খালিজ টাইমস।