২০২২-২৩ বিপণন মৌসুমে ব্রাজিলে খাদ্যশস্য তেলবীজ উৎপাদন বাড়ার পূর্বাভাস মিলেছে। ঊর্ধ্বমুখী উৎপাদন ব্যয়ের ধাক্কা সত্ত্বেও বর্তমানে লাভজনক হওয়ায় খাদ্যশস্য ও তেলবীজ উৎপাদনে কৃষকদের মাঝে আগ্রহ বেশি। এ কারণেই উৎপাদন নিয়ে আশাবাদী বিশেষজ্ঞ ও খাতসংশ্লিষ্টরা।

সম্প্রতি এক প্রতিবেদনে ব্রাজিলের খাদ্যশস্য ও তেলবীজ উৎপাদন পরিস্থিতি নিয়ে একটি পূর্বাভাস দিয়েছে দেশটির ন্যাশনাল সাপ্লাই কোম্পানি (কোনাব)। প্রতিষ্ঠানটি বলছে, চলতি বছর ব্রাজিলের প্রাক্কলিত খাদ্যশস্য ও তেলবীজ উৎপাদনের পরিমাণ ২৭ কোটি ২০ লাখ টন। কিন্তু ২০২২-২৩ বিপণন মৌসুমে তা বেড়ে ৩০ কোটি ৮০ লাখ টনে উন্নীত হতে পারে। উৎপাদন বৃদ্ধিতে সবচেয়ে বড় ভূমিকা পালন করবে ভুট্টা, সয়াবিন ও চাল। কোনাবের প্রেসিডেন্ট গিলহার্ম রিবেরো বলেন, উৎপাদন ব্যয় বৃদ্ধি সত্ত্বেও ব্রাজিলের উৎপাদকদের কাছে শস্য এখনো ভালো লাভজনক।

কোনাব বলছে, আসন্ন মৌসুমটিতে রেকর্ড সয়াবিন উৎপাদন হতে পারে। উৎপাদনের পরিমাণ দাঁড়াবে ১৫ কোটি ৩ লাখ ৬০ হাজার টন। উৎপাদকদের জন্য খাদ্যশস্যের দাম আগামী দিনগুলোয় আকর্ষণীয় থাকবে। এর ফলে আবাদ চলতি মৌসুমের তুলনায় ৩ দশমিক ৫৪ শতাংশ বেড়ে ৪ কোটি ২৪ লাখ হেক্টরে উন্নীত হতে পারে।

চলতি মৌসুমে ব্রাজিলের দক্ষিণের রাজ্যগুলোয় জলবায়ু সমস্যার কারণে উৎপাদন সক্ষমতা নিয়ে জটিলতা তৈরি হয়। তবে আগামী মৌসুমে তা কেটে যাবে বলে প্রত্যাশা কোনাবের। উৎপাদন বাড়লে রফতানিও ঊর্ধ্বমুখী হয়ে উঠবে। রফতানির পরিমাণ দাঁড়াবে ৯ কোটি ২০ লাখ টনে, যা চলতি মৌসুমের তুলনায় ২২ দশমিক ২ শতাংশ বেশি।