দেশের বাজারে শজনের চাহিদা রয়েছে তুলনামূলক বেশি। যদিও এখনো দেশে উৎপাদিত শজনে বাজারে আসেনি। তাই বাড়তি চাহিদার চাপ সামলাতে দিনাজপুরের হিলি স্থলবন্দরের আমদানিকারকরা ভারত থেকে শজনে আমদানি শুরু করেছেন। এর মধ্য দিয়ে নয় মাস বন্ধ থাকার পর হিলিতে কৃষিপণ্যটির আমদানি শুরু হয়েছে।
হিলি স্থলবন্দর কার্যালয়ের তথ্য অনুযায়ী, সর্বশেষ গত মার্চে এ স্থলবন্দর দিয়ে ভারত থেকে শজনে আমদানি হয়েছিল। পরবর্তী সময়ে করোনা মহামারীর কারণে পণ্যটির আমদানি বন্ধ হয়ে যায়। এরপর গত মঙ্গলবার হিলি স্থলবন্দর দিয়ে ভারত থেকে দুই টনের বেশি শজনে আমদানি হয়েছে। নয় মাস পর আমদানি করা পণ্যটির প্রথম চালান থেকে রাজস্ব আয় হয়েছে ৩৪ হাজার টাকার বেশি।
স্থানীয় আমদানিকারক প্রতিষ্ঠান মেসার্স খান ট্রেডার্স ভারতীয় রফতানিকারক জগত্বাবা এন্টারপ্রাইজের কাছ থেকে এসব শজনে আমদানি করেছে, যা পরে ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন বাজারে পাঠানো হয়েছে। দেশের বাজারে আমদানি করা প্রতি কেজি শজনে ১৫০-১৬০ টাকায় বিক্রি করা হবে।
মেসার্স খান ট্রেডার্সের স্বত্বাধিকারী ও হিলি স্থলবন্দর আমদানি-রফতানিকারক গ্রুপের সভাপতি হারুন-উর-রশীদ বণিক বার্তাকে বলেন, বাজারে এখনো দেশে উৎপাদিত শজনে ওঠেনি। ফলে পণ্যটির দাম বেড়েছে। এখন ভারত থেকে আমদানির ফলে শজনের দাম কমে আসবে। দেখতে বড় ও স্বাদ ভালো হওয়ায় ক্রেতাদের কাছে ভারতীয় শজনের চাহিদা রয়েছে। মূলত এসব কারণে টানা নয় মাস বন্ধ রাখার পর হিলি স্থলবন্দর দিয়ে ভারত থেকে নতুন করে শজনে আমদানি শুরু হয়েছে।









