জাপানে মে মাসে ভোগ্যপণ্যের মূল্য গত বছরের একই সময়ের তুলনায় ৩ দশমিক ২ শতাংশ বেড়েছে। এপ্রিলে জাপানের মূল্যস্ফীতি ছিল ৩ দশমিক ৪ শতাংশ। জাপানের সরকারি প্রতিবেদনে সম্প্রতি এমনটাই প্রকাশ করা হয়েছে। খবর তাইপে টাইমস।
অন্যান্য দেশের তুলনায় জাপানের মূল্যস্ফীতি তুলনামূলক কম। মহামারী-পরবর্তী সময়ে রাশিয়ার ইউক্রেন আক্রমণ ও অন্যান্য কারণে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও অন্যান্য দেশে উচ্চ মূল্যস্ফীতি বিরাজ করছে। যুক্তরাষ্ট্রের কেন্দ্রীয় রিজার্ভ ব্যাংক ও অন্যান্য দেশের কেন্দ্রীয় ব্যাংক উচ্চ মূল্যস্ফীতি মোকাবেলায় সুদহার বাড়িয়েছে। তবে ব্যাংক অব জাপান অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি বাড়ানোর প্রয়াসে তার সুদহার কম রাখার মুদ্রানীতিতে থিতু হয়ে আছে।
প্রক্রিয়াজাত খাদ্য, টেকসই পণ্য, সেলফোন, হোটেল ফিসহ কিছু পণ্যের মূল্যবৃদ্ধি মে মাসের মূল্যস্ফীতির পেছনে দায়ী বলে জানিয়েছে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়। মূল্যস্ফীতির হার ২ শতাংশের মধ্যে রাখার পরিকল্পনা নিয়েছিল ব্যাংক অব জাপান।
মূল্যস্ফীতির হার এ পর্যায়ে রাখা সম্ভব হলে দেশটির অর্থনীতি টেকসই প্রবৃদ্ধির দিকে এগিয়ে যাবে বলে আশা করছেন ব্যাংকসংশ্লিষ্টরা। এক বছরেরও বেশি সময় ধরে তার লক্ষ্যমাত্রা অর্জনে কাজ করে যাচ্ছে।










