প্রথমবারের মতো জেনেটিক্যালি মডিফায়েড (জিএম) সয়ামিল আমদানির অনুমতি দিল ভারত। দেশটির পরিবেশ মন্ত্রণালয় এবং বৈদেশিক বাণিজ্য বিভাগের মহাপরিচালকের দপ্তরের ছাড়পত্র পাওয়ার পর প্রাণী খাদ্য হিসেবে ব্যবহারের জন্য এ অনুমোদন দেয়া হয়। সম্প্রতি পশুপালন ও দুগ্ধ মন্ত্রণালয়ের ঊর্ধ্বতন এক কর্মকর্তা এ তথ্য জানান। খবর বিজনেস স্ট্যান্ডার্ড।

ভারতের সয়ামিলের দাম আকাশচুম্বী হওয়ায় পশুখাদ্যের দাম বৃদ্ধি পায়। ফলে এর নেতিবাচক প্রভাব পড়তে শুরু করে পোলট্রি, ডেইরি ও অ্যাকুয়া শিল্পে জড়িত কৃষকদের ওপর।

সরকারি এক কর্মকর্তা প্রেস ট্রাস্ট অব ইন্ডিয়াকে জানান, বর্তমানে জিএম সয়ামিলসহ অন্যান্য সয়ামিল আমদানিতে কোনো বাধা নেই। মন্ত্রণালয় আমদানি অনুমতি দেয়ার আগে এ-সংক্রান্ত ব্যাখ্যা জানতে চেয়েছিল সংশ্লিষ্টদের কাছে। তিনি জানান, পরিবেশ মন্ত্রণালয় জিএম সয়ামিল আমদানিতে কোনো প্রতিবন্ধকতা নেই বলে ছাড়পত্র দেয়া হয়। এরপর সয়ামিল আমদানির এ সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়।

কর্মকর্তারা বলছেন, মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে চলতি মৌসুমে ১২ লাখ টন সয়ামিল আমদানির লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে। অক্টোবরে নতুন শস্য আসার আগ পর্যন্ত অভ্যন্তরীণ চাহিদা মেটানোর জন্য এ আমদানির অনুমতি দেয়া হয়। সয়ামিলের ঘাটতি পূরণ করতে আর্জেন্টিনা, ইউরোপ ও যুক্তরাষ্ট্র থেকে আমদানি করা হতে পারে বলেও জানান সংশ্লিষ্ট এ কর্মকর্তা।

ভারতের কৃষি মন্ত্রণালয়ে চতুর্থ অগ্রিম ধারণা অনুসারে, ২০২০-২১ বিপণন মৌসুমে ভারতে সয়াবিনের উৎপাদন ১ কোটি ২৯ লাখ টন বেশি হওয়ার আশা করা হয়েছে। ২০১৯-২০ বিপণন মৌসুমে দেশটিতে সয়াবিন উৎপাদনের পরিমাণ ছিল ১ কোটি ১২ লাখ টন।