১ এপ্রিল থেকে তার এ নিয়োগ কার্যকর হয়েছে। ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই) সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।

আর্থিক প্রতিবেদন অনুসারে, সর্বশেষ সমাপ্ত ২০২৫ হিসাব বছরের প্রথম তিন প্রান্তিকে (জানুয়ারি-সেপ্টেম্বর) ইসলামিক ফাইন্যান্সের শেয়ারপ্রতি লোকসান হয়েছে ১ টাকা ৯৪ পয়সা, আগের হিসাব বছরের একই সময়ে যা ছিল ৮ টাকা ১০ পয়সা পয়সা। আলোচ্য হিসাব বছরের তৃতীয় প্রান্তিকে (জুলাই-সেপ্টেম্বর) কোম্পানিটির শেয়ারপ্রতি লোকসান হয়েছে ৮৭ পয়সা, আগের হিসাব বছরের একই সময়ে যা ছিল ৫ টাকা ৭১ পয়সা। ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২৫ শেষে কোম্পানিটির শেয়ারপ্রতি নিট দায় দাঁড়িয়েছে ১ টাকা ৭৪ পয়সায়।

৩১ ডিসেম্বর সমাপ্ত ২০২৪ হিসাব বছরে বিনিয়োগকারীদের কোনো লভ্যাংশ দেয়নি কোম্পানিটির পর্ষদ। আলোচ্য হিসাব বছরে ইসলামিক ফাইন্যান্সের শেয়ারপ্রতি লোকসান হয়েছে ১২ টাকা ২২ পয়সা, আগের হিসাব বছরে যা ছিল ১ টাকা ৬৪ পয়সা। ৩১ ডিসেম্বর ২০২৪ শেষে কোম্পানিটির শেয়ারপ্রতি নিট সম্পদমূল্য (এনএভিপিএস) দাঁড়িয়েছে ২০ পয়সায়।

৩১ ডিসেম্বর সমাপ্ত ২০২৩ হিসাব বছরে বিনিয়োগকারীদের কোনো লভ্যাংশ দেয়নি কোম্পানিটি। আলোচ্য হিসাব বছরে ইসলামিক ফাইন্যান্সের শেয়ারপ্রতি লোকসান হয়েছে ১ টাকা ৬৪ পয়সা। আগের হিসাব বছরে শেয়ারপ্রতি আয় (ইপিএস) ছিল ৩০ পয়সা। ৩১ ডিসেম্বর ২০২৩ শেষে কোম্পানিটির এনএভিপিএস দাঁড়িয়েছে ১২ টাকা ৪২ পয়সায়।

৩১ ডিসেম্বর সমাপ্ত ২০২২ হিসাব বছরে বিনিয়োগকারীদের ৫ শতাংশ নগদ লভ্যাংশ দিয়েছে ইসলামিক ফাইন্যান্স। আলোচ্য হিসাব বছরে কোম্পানিটির ইপিএস হয়েছে ৩০ পয়সা, আগের হিসাব বছরে যা ছিল ১ টাকা ৩২ পয়সা। ৩১ ডিসেম্বর ২০২২ শেষে কোম্পানিটির এনএভিপিএস দাঁড়িয়েছে ১৪ টাকা ৫৬ পয়সায়।

ইসলামিক ফাইন্যান্সের সর্বশেষ সার্ভিল্যান্স রেটিং দীর্ঘমেয়াদে ‘বিবিবি’ ও স্বল্পমেয়াদে ‘‌এসটি-৪’।

৩১ ডিসেম্বর সমাপ্ত ২০২৪ হিসাব বছরের নিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদন, ৩০ জুন ২০২৫ পর্যন্ত অনিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদন এবং রেটিং ঘোষণার দিন পর্যন্ত প্রাসঙ্গিক অন্যান্য পরিমাণগত ও গুণগত তথ্যের ওপর ভিত্তি করে এ প্রত্যয়ন করেছে ইমার্জিং ক্রেডিট রেটিং লিমিটেড (ইসিআরএল)।

২০০৫ সালে পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত ইসলামিক ফাইন্যান্সের অনুমোদিত মূলধন ২৫০ কোটি ও পরিশোধিত মূলধন ১৪০ কোটি ৩২ লাখ ৭০ হাজার টাকা। পুঞ্জীভূত লোকসানের পরিমাণ ১৩৭ কোটি ৫১ লাখ টাকা। মোট শেয়ার সংখ্যা ১৪ কোটি ৩ লাখ ২৬ হাজার ৬৭০। এর ৩২ দশমিক ৮৩ শতাংশ রয়েছে উদ্যোক্তা পরিচালকদের কাছে। এছাড়া প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীদের কাছে ২৫ দশমিক ৩৬ ও সাধারণ বিনিয়োগকারীদের হাতে বাকি ৪১ দশমিক ৮১ শতাংশ শেয়ার রয়েছে।