এমএসএমই উদ্যোক্তাদের পণ্য রফতানির বাধা দূর করতে সরকার উদ্যোগ নেবে বলে আশ্বাস দিয়েছেন প্রধান উপদেষ্টার আন্তর্জাতিক বিষয় সংক্রান্ত বিশেষ দূত লুৎফে সিদ্দিকী। রোববার (২১ সেপ্টেম্বর) রাজধানীর আগারগাঁও পর্যটন ভবনের শৈলপ্রপাত মিলনায়তনে এসএমই ফাউন্ডেশনের উদ্যোগে ও ভিসা’র সহায়তায় ‘এসএমই উদ্যোক্তাদের পণ্য রপ্তানি সহজ করা এবং বিশ্ব বাজারে যুক্ত করতে সহায়তার উপায়’ শীর্ষক গোলটেবিল আলোচনায় এ আশ্বাস দিয়েছেন তিনি।
গোলটেবিল আলোচনায় উদ্যোক্তারা জানান, পণ্য রফতানির ক্ষেত্রে ক্রেতার পক্ষ থেকে পাওনা পরিশোধ, স্যাম্পল পাঠানো, অনলাইন লেনদেনসহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে কাস্টমস, বাংলাদেশ ব্যাংক, পেমেন্ট গেটওয়ে প্রতিষ্ঠান এবং ব্যাংকগুলোর পক্ষ থেকে নানা ধরনের হয়রানি শিকার হন। ফলে রফতানি পণ্যের ন্যায্য দাম, ক্রেতাকে সময়মতো পণ্য পাঠাতে আস্থার সংকটের পাশাপাশি নিজেদের ব্যবসায়ও লোকসানের মুখে পড়তে হয় তাদের।
উদ্যোক্তাদের এসব সমস্যা শুনে তাৎক্ষণিকভাবে উপস্থিত সংশ্লিষ্ট সরকারি ও বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধিদের সমাধানের নির্দেশনা দেন লুৎফে সিদ্দিকী।
এসএমই ফাউন্ডেশনের চেয়ারপার্সন মো. মুসফিকুর রহমানের সভাপতিত্বে আলোচনা সভায় বিশেষ অতিথি ছিলেন প্রধান উপদেষ্টার কার্যালয়ের সচিব (সংযুক্ত) মো. মাহমুদুল হোসাইন খান, বাংলাদেশ ব্যাংকের ডেপুটি গভর্নর নুরুন নাহার এবং উইমেন এন্ট্রাপ্রেনিওর অ্যাসোসিয়েশন বাংলাদেশ-এর সভাপতি নাসরীন ফাতেমা আউয়াল।
এতে স্বাগত বক্তব্য রাখেন, এসএমই ফাউন্ডেশনের ব্যবস্থাপনা পরিচালক আনোয়ার হোসেন চৌধুরী। মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন এসএমই ফাউন্ডেশনের উপব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. নাজিম হাসান সাত্তার।
বর্তমানে বাংলাদেশের অর্থনীতিতে এসএমই খাতের অবদান প্রায় ৩০ শতাংশ। বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো’র ২০২৪ সালের অর্থনৈতিক সমীক্ষা বলছে, দেশের প্রায় ১ কোটি ১৮ লাখ শিল্প প্রতিষ্ঠানের মধ্যে ৯৯ শতাংশের বেশি কুটির, মাইক্রো, ক্ষুদ্র ও মাঝারি (সিএমএসএমই)। শিল্প খাতের মোট কর্মসংস্থানের প্রায় ৮৫ শতাংশই সিএমএসএমই খাতে। এই খাতে প্রায় ৩ কোটিরও বেশি জনবল কর্মরত আছে। -বিজ্ঞপ্তি











