২০২৩ সালের প্রথম পাঁচ মাসে ব্রাজিল থেকে দ্বিতীয় সর্বাধিক সয়াবিন আমদানি করেছে আর্জেন্টিনা। আর্জেন্টিনায় সংঘটিত খরার কারণে মারাত্মকভাবে এর ফসলের ক্ষতি হয়েছে। ফলে বর্তমানে আমদানিতেই ঝুঁকছে দেশটি। খবর রয়টার্স।

জানুয়ারি-মে পর্যন্ত আর্জেন্টিনায় ব্রাজিল ১৯ লাখ ২০ হাজার টন সয়াবিন রফতানি করেছে। শুধু মে মাসে রফতানির পরিমাণ ছিল ৯ লাখ ৭৮ হাজার ৫০০ টন। বিশ্বের তৃতীয় বৃহত্তম সয়াবিন উৎপাদনকারী আর্জেন্টিনার ফসল উৎপাদন ২০২২-২৩ অর্থবছরে ৪৩ শতাংশ কমে ২ কোটি ৫০ লাখ টনে নেমে গিয়েছিল বলে জানায় ইউএস ডিপার্টমেন্ট অব এগ্রিকালচার। আর্জেন্টিনার রোজারিও গ্রেইন এক্সচেঞ্জ অবশ্য মাত্র ২ কোটি ৫ লাখ টন শস্য উৎপাদনের প্রাক্কলন করেছিল।

আর্জেন্টিনার সয়াবিন তেল ও সয়াখাদ্যের বিশাল রফতানি শিল্প থাকায় প্রচুর পরিমাণে দানা সয়াবিন আমদানি করতে হয়েছে। আমদানি দ্বিগুণ হয়ে এ মৌসুমেই ৯০ লাখ টনে পৌঁছতে পারে বলে আশা করা যাচ্ছে। অন্যদিকে সয়াবিনের চাহিদা মেটানোর আশানুরূপ সক্ষমতা রয়েছে ব্রাজিলের। ব্রাজিলিয়ান সয়ার চালান বাড়ায় আর্জেন্টিনার কারখানাগুলোয় সরবরাহ সচল ছিল। পাশাপাশি স্থানীয় বাজার থেকে সংগৃহীত সয়াবিন আর্জেন্টিনার অর্থনীতিতে ডলার আয়ের সয়া-ডলার প্রোগ্রামকে এগিয়ে নিয়েছে। 

আর্জেন্টিনাকে এ বছর প্যারাগুয়ে থেকে প্রায় ৫০ লাখ টন সয়াবিন আমদানি করতে হবে। ব্রাজিল প্রতিবেশী দেশটিতে আরো ২০-৩০ লাখ টন সয়াবিন রফতানি করবে। এসঅ্যান্ডপি গ্লোবাল কমোডিটি ইনসাইটসের বিশ্লেষক গ্যাব্রিয়েল ফালেইরোস এমনটাই জানিয়েছেন।