জানুয়ারি-ফেব্রুয়ারিতে চীনের ফিনিশড স্টিল আমদানির পরিমাণ কমেছে ৭ দশমিক ৯ শতাংশ। বছরের প্রথম দুই মাসে দেশটির ফিনিশড স্টিল আমদানির পরিমাণ ছিল ২২ লাখ ৭ হাজার টন। একই সময়ে চীনের ফিনিশড স্টিলের রফতানিও গত বছরের একই সময়ের তুলনায় ১৮ দশমিক ৮ শতাংশ কমেছে। এ সময়ে দেশটির ফিনিশড স্টিল রফতানির পরিমাণ ছিল ৮২ লাখ ৩৪ হাজার টন। চীনের জেনারেল অ্যাডমিনিস্ট্রেশন অব কাস্টমস এমনটা জানায়। খবর এসঅ্যান্ডপি গ্লোবাল প্লাটস।
জানুয়ারি-ফেব্রুয়ারিতে এর আগের মাসের তুলনায় চীনের ফিনিশড স্টিল রফতানির দৈনিক পরিমাণ কমেছে ১৩ দশমিক ৯ শতাংশ।
অন্যদিকে একই সময়ে পণ্যটির আমদানির দৈনিক পরিমাণ বেড়েছে ১৫ দশমিক ৮ শতাংশ। এ দুই মাসে গত বছরের একই সময়ের তুলনায় চীনের নিট ফিনিশড স্টিল রফতানির পরিমাণ কমেছে ২২ দশমিক ২ শতাংশ। উল্লিখিত সময়ে দেশটির ফিনিশড স্টিল রফতানির নিট পরিমাণ ছিল ৬০ লাখ ২৭ হাজার টন।
বাজার সূত্র জানায়, চলতি মাসেও চীনের ফিনিশড স্টিল রফতানির পরিমাণ নিম্নমুখী থাকবে। তবে এপ্রিল ও মে মাসে এ দৃশ্যে শক্তিশালী পরিবর্তন আসতে পারে বলে মনে করছেন ব্যবসায়ীরা। মূলত ফেব্রুয়ারির শেষ নাগাদ বৈদেশিক ক্রয়াদেশের পরিমাণ বাড়ায় এমনটা প্রত্যাশা করা হচ্ছে। ইউক্রেনে রাশিয়ার সামরিক অভিযানের পর এশিয়া, মধ্যপ্রাচ্য ও ইউরোপের ক্রেতারা চীনের হট রোলড কয়েলের দিকে ঝুঁকছে।
এ সময়ে দেশটির ফিনিশড স্টিল আমদানির পরিমাণ আরো কমবে বলেও জানায় বাজার সূত্রগুলো। অভ্যন্তরীণ চাহিদার পরিমাণ নিম্নমুখী থাকায় পণ্যটির আমদানিতে নেতিবাচক চিত্র দেখা যাবে। মূলত চীনের সম্পদ বিনিয়োগে মন্থর গতির ফলে ফিনিশড স্টিলের চাহিদায় এমন নিম্নমুখী চিত্র দেখা যেতে পারে বলে মনে করছেন বাজারসংশ্লিষ্টরা।
এসঅ্যান্ডপি গ্লোবাল কমোডিটি ইনসাইটের এ প্রতিবেদনে দেখা যায়, চীনের হট রোলড ও ফুল হার্ড কয়েলের জন্য বৈদেশিক ক্রয়াদেশের পরিমাণ প্রায় চার-পাঁচ লাখ টন দাঁড়িয়েছে। ফেব্রুয়ারির শেষ নাগাদ এসব ক্রয়াদেশ পায় চীন। এসব ক্রয়াদেশের অধিকাংশই মূলত এপ্রিল ও মে মাসে সরবরাহের জন্য।










