সর্বশেষ সমাপ্ত ২০২৫ হিসাব বছরে বিনিয়োগকারীদের জন্য ঘোষিত লভ্যাংশ বিতরণ করায় কোম্পানিটির ক্যাটাগরি পরিবর্তন হয়েছে। ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই) সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।
সর্বশেষ সমাপ্ত ২০২৪-২৫ হিসাব বছরে বিনিয়োগকারীদের জন্য দশমিক ১ শতাংশ নগদ লভ্যাংশ ঘোষণা করেছে ন্যাশনাল ফিডের পর্ষদ। আলোচ্য হিসাব বছরে কোম্পানিটির শেয়ারপ্রতি আয় (ইপিএস) হয়েছে ৩ পয়সা। আগের হিসাব বছরে শেয়ারপ্রতি লোকসান হয়েছিল ৭১ পয়সা। ৩০ জুন ২০২৫ শেষে কোম্পানিটির শেয়ারপ্রতি নিট সম্পদমূল্য (এনএভিপিএস) দাঁড়িয়েছে ১১ টাকা ৯ পয়সায়।
২০২৩-২৪ হিসাব বছরে বিনিয়োগকারীদের কোনো লভ্যাংশ দেয়নি কোম্পানিটির পর্ষদ। আলোচ্য হিসাব বছরে ন্যাশনাল ফিডের শেয়ারপ্রতি লোকসান হয়েছে ৭১ পয়সা। আগের হিসাব বছরে ইপিএস ছিল ২ পয়সা। ৩০ জুন ২০২৪ শেষে কোম্পানিটির এনএভিপিএস দাঁড়িয়েছে ১১ টাকা ৭ পয়সায়।
২০২২-২৩ হিসাব বছরে বিনিয়োগকারীদের কোনো লভ্যাংশ দেয়নি কোম্পানিটির পর্ষদ। আলোচ্য হিসাব বছরে ন্যাশনাল ফিডের ইপিএস হয়েছে ২ পয়সা, আগের হিসাব বছরে যা ছিল ৮ পয়সা। ৩০ জুন ২০২৩ শেষে কোম্পানিটির এনএভিপিএস দাঁড়িয়েছে ১১ টাকা ৭৮ পয়সায়।
সমাপ্ত ২০২১-২২ হিসাব বছরে বিনিয়োগকারীদের ১ শতাংশ নগদ লভ্যাংশ দিয়েছে কোম্পানিটির পর্ষদ। আলোচ্য হিসাব বছরে ন্যাশনাল ফিডের ইপিএস হয়েছে ৮ পয়সা, আগের হিসাব বছরে যা ছিল ১৮ পয়সা। ৩০ জুন ২০২২ শেষে কোম্পানিটির এনএভিপিএস দাঁড়িয়েছে ১১ টাকা ৭৫ পয়সায়।
২০১৫ সালে পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত ন্যাশনাল ফিডের অনুমোদিত মূলধন ২০০ কোটি ও পরিশোধিত মূলধন ৯৩ কোটি ৩৬ লাখ ১০ হাজার টাকা। রিজার্ভে রয়েছে ১০ কোটি ২২ লাখ টাকা। মোট শেয়ার সংখ্যা ৯ কোটি ৩৩ লাখ ৬১ হাজার ৩২৪। এর ৩০ দশমিক ৪০ শতাংশ রয়েছে উদ্যোক্তা পরিচালকদের কাছে। এছাড়া প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীদের কাছে ১২ দশমিক ৩০, বিদেশী বিনিয়োগকারী দশমিক ১৮ ও সাধারণ বিনিয়োগকারীদের হাতে বাকি ৫৭ দশমিক ১২ শতাংশ শেয়ার রয়েছে।










