তবে বিশ্বের কিছু ডেজার্ট আছে, যেগুলোর দাম শুনলে চোখ কপালে উঠতে পারে। কারণ সেগুলো শুধু মিষ্টান্নই নয়—কখনো হীরা, কখনো স্বর্ণ বা প্লাটিনামের অলংকার দিয়ে সাজানো বিলাসবহুল আয়োজন।
» ডায়মন্ড ফ্রুটকেক (১৬ লাখ ৫০ হাজার ডলার)
জাপানি পেস্ট্রি শেফ জিওং হং-ইয়ন ২০০৫ সালে বিশেষ ফ্রুটকেকটি তৈরি করেন। এটি মূলত একটি প্রদর্শনীর জন্য বানানো হয়েছিল, খাওয়ার জন্য নয়। কেকটিতে ১৭০ ক্যারেট ওজনের ২২৩টি আসল হীরা বসানো ছিল। বিলাসী কেকটি বর্তমানে বাণিজ্যিকভাবে বিক্রি করা হয় না।
» স্ট্রবেরি আরনড (৯৮ লাখ ৫০ হাজার ডলার)
ডেজার্টটি মিলবে যুক্তরাষ্ট্রের নিউ অরলিন্সের বিখ্যাত ‘আরনড’স রেস্টুরেন্ট’-এ। সাধারণ স্ট্রবেরি, ভ্যানিলা আইসক্রিম আর সস দিয়ে তৈরি মিষ্টান্নটির আসল দাম মাত্র ৯ ডলার। কিন্তু এর সঙ্গে যখন ১০ দশমিক শূন্য ৬ ক্যারেটের রয়্যাল ব্লু ডায়মন্ড আংটি, স্বর্ণের চামচ আর দামি পানীয় যোগ করা হয়, তখন এর দাম কয়েক মিলিয়ন ডলারে গিয়ে ঠেকে।
» প্লাটিনাম কেক (১ লাখ ৩০ হাজার ডলার)
জাপানি শেফ নোবু ইকারা কেকটি তৈরি করেছিলেন মূলত নারীদের প্লাটিনামের গহনা পরতে উৎসাহিত করতে। কেকটি প্লাটিনামের চেইন, পেন্ডেন্ট ও ভোজ্য প্লাটিনাম ফ্লেক্স দিয়ে সাজানো ছিল। জাপানি অভিনেত্রী রিনকো কিকুচি ও চিয়ে কুমাজাওয়াকে উৎসর্গ করা কেকটি একটি বিশেষ ক্যাম্পেইনের অংশ ছিল। তাই সাধারণ ক্রেতাদের জন্য এটি উন্মুক্ত নয়।
» দি অ্যাবসার্ডিটি সানডে (৬০ হাজার)
নামের মতোই এর দামও বেশ অদ্ভুত বা ‘অ্যাবসার্ড’। আইসক্রিমটি তৈরি করা হয় মাউন্ট কিলিমাঞ্জারোর বরফ দিয়ে। ৬০ হাজার ডলারের এ প্যাকেজে শুধু আইসক্রিম নয়, তানজানিয়ায় প্রথম শ্রেণীর টিকিট, পাঁচতারা হোটেলে থাকা এবং কিলিমাঞ্জারো পাহাড়ে চড়ার গাইড সুবিধাও অন্তর্ভুক্ত। ডেজার্টটি পরিবেশন করা হয় উনিশ শতকের মাঝামাঝি সময়কার একটি স্বর্ণের চামচ দিয়ে। যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক থ্রি টুইন্স আইসক্রিম ডেজার্টটি একটি বিশেষ প্রচারমূলক প্যাকেজ হিসেবে তৈরি করেছিল। ডেজার্টটি ছিল মূলত সীমিত সময়ের বিলাসবহুল অভিজ্ঞতার অংশ, সাধারণ মেনুর নিয়মিত আইটেম নয়।
» ফ্রোজেন চকোলেট ওত (২৫ হাজার ডলার)
নিউইয়র্কের বিখ্যাত ‘সেরেন্ডিপিটি ৩’ রেস্টুরেন্টের ডেজার্টটি গিনেস ওয়ার্ল্ড রেকর্ডস অনুযায়ী বিশ্বের সবচেয়ে দামি বাণিজ্যিক ডেজার্ট। এটি ২৮টি বিরল কোকোর মিশ্রণে তৈরি এবং এতে ভোজ্য ২৩-ক্যারেট স্বর্ণের পাতা ব্যবহার করা হয়। এটি পরিবেশন করা হয় স্বর্ণের তৈরি পাত্রে এবং খেতে দেয়া হয় হীরাখচিত স্বর্ণের চামচ দিয়ে। ডেইলি মিরর অবলম্বনে










