মহামারী চলাকালে বেআইনিভাবে ১ হাজার ৭০০ কর্মীকে ছাঁটাইয়ের অভিযোগ ওঠে কান্তাস এয়ারওয়েজের বিরুদ্ধে। অস্ট্রেলিয়ার সর্বোচ্চ আদালত এ বিষয়ে রায় ঘোষণা করলে প্রতিষ্ঠানটি রায় বাতিলের আহ্বান জানায়। কিন্তু সম্প্রতি আদালত সর্বসম্মতভাবে তা প্রত্যাখ্যান করে পূর্ববর্তী রায় বহাল রেখেছেন। খবর বিবিসি।
আদালত জানান, এয়ারওয়েজটি ২০২০ সালে ১০টি বিমানবন্দরে বেআইনিভাবে কর্মীদের ছাঁটাই করেছিল। প্রতিষ্ঠানটি অস্ট্রেলিয়ার ফেয়ার ওয়ার্ক আইন লঙ্ঘন করেছে। ক্ষুণ্ন করেছে কর্মচারীদের অধিকার।
কান্তাস জানায়, আউটসোর্সিং তাদের একটি প্রয়োজনীয় আর্থিক ব্যবস্থা ছিল। করোনাকালীন কান্তাসের ক্রিয়াকলাপকে কেন্দ্র করে একাধিক অভিযোগ আনা হয়। তা সত্ত্বেও প্রতিষ্ঠানটি রেকর্ড পরিমাণ মুনাফা অর্জন করে। যার কারণে সম্প্রতি প্রতিষ্ঠানটি জনরোষের মুখে পড়ে।
কান্তাসের বিরুদ্ধে অস্ট্রেলিয়ায় কাতার এয়ারওয়েজের ফ্লাইট সম্প্রসারণে একটি সরকারি ব্লককে সমর্থন করার অভিযোগও আনা হয়েছে। বিশ্লেষকদের মতে, এটি বাজারকে আরো প্রতিযোগিতামূলক করে তুলবে এবং বিমান ভাড়া কমিয়ে দেবে। শ্রমিক ও ইউনিয়নবাদীরা আদালতের রায়কে বিশাল জয় হিসেবে বর্ণনা করছেন।
দেশটির ট্রান্সপোর্ট ওয়ার্কার্স ইউনিয়ন জানায়, অনুসন্ধানটি প্রমাণ করে যে পুরো কান্তাস বোর্ডকে একজন শ্রমিক প্রতিনিধি ও নতুন পরিচালকদের নিয়ে নতুন করে গঠন করতে হবে। এর জাতীয় সেক্রেটারি মাইকেল কাইন প্রতিষ্ঠানটির এ কাজকে অস্ট্রেলিয়ার ইতিহাসে"সবচেয়ে বড় বেআইনি বরখাস্ত বলে অভিহিত করেছেন।










