ইউরোপের বাইরে বৃহত্তম ক্যাফে শিল্প অস্ট্রেলিয়ায়। কিন্তু মহামারী-পরবর্তী চলমান বৈশ্বিক মূল্যস্ফীতির থাবা থেকে বাদ যায়নি এ খাতও। উৎপাদন ব্যয়, কর্মীদের বেতন, ভাড়া ও পরিচালন ব্যয়ে নাকাল কফিশপগুলো। প্রভাব পড়েছে এক কাপ কফির সঙ্গে স্যান্ডউইচের মূল্য তালিকায়। এদিকে ব্যয় বৃদ্ধির জেরে কমেছে মানুষের আনাগোনাও। খরচ বাঁচাতে সামান্য ব্যয়টুকুও এড়িয়ে চলছেন ক্রেতারা। স্যান্ডউইচ তৈরির পেছনে বিদ্যুতের বিল থেকে শুরু করে মাংস প্রস্তুত পর্যন্ত সবক্ষেত্রে বেড়েছে দাম। কমেছে ব্যবসায়ীদের ১০ শতাংশ মুনাফা। কফির উৎপাদনে খরচ বেড়েছে এক-পঞ্চমাংশ। ফলে কফিশপগুলোয় আয় সংকুচিত হয়ে আসায় কঠিন অবস্থা পার করছে শপগুলো। সাবেক ওয়ার্ল্ড ল্যাট চ্যাম্পিয়ন জ্যাক হান্না গত মাসে সিডনির শহরতলিতে তার গুডসলাইন ক্যাফে বন্ধ করে দিয়েছেন। দুই বছর আগে চালু করা ক্যাফেটিতে তিনি ১৫ লাখ অস্ট্রেলিয়ান ডলার বিনিয়োগ করেছিলেন। তিনি বলেন, ‘জীবনযাত্রার খরচে মানুষ নাকাল হয়ে পড়েছে। বিশেষ করে যারা প্রতিদিন এখানে খেতে আসতেন তাদের ওপর বাজে প্রভাব ফেলেছে মূল্যস্ফীতি। সুপারমার্কেটগুলোয় নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্যের মূল্য বেড়ে গেলে মানুষ কোনো বাড়তি খরচ করতে চায় না। অন্যদিকে কর্মীদের মজুরি দিতে আমাদেরও দাম বাড়াতে হয়েছিল।’ খবর রয়টার্স
মূল্যস্ফীতিতে ঝিমিয়ে পড়েছে অস্ট্রেলিয়ার কফিশপগুলো
ইউরোপের বাইরে বৃহত্তম ক্যাফে শিল্প অস্ট্রেলিয়ায়। কিন্তু মহামারী-পরবর্তী চলমান বৈশ্বিক মূল্যস্ফীতির থাবা থেকে বাদ যায়নি এ খাতও।










