এর মধ্যেও প্রায় দুই দিন ধরে কোম্পানিটির শেয়ার দর ঊর্ধ্বমুখী। এ অবস্থায় কোম্পানিটির কাছে শেয়ারদর বাড়ার কারণ জানতে চেয়ে গত ৩১ মার্চ চিঠি দিয়েছিল ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই)। তবে এখনে পর্যন্ত ডিএসইর চিঠির জবাব দেয়নি কোম্পানিটি।
বাজার পর্যালোচনায় দেখা যায়, গত ২ ফেব্রুয়ারি ডিএসইতে হামিদ ফ্যাব্রিকসের শেয়ারদর ছিল ৫ টাকা ৯০ পয়সা। এর পর থেকেই শেয়ারটির দর ক্রমান্বয়ে বাড়ছে। সর্বশেষ গত বৃহস্পতিবার কোম্পানিটির শেয়ারদর ১২ টাকা ১০ পয়সায় দাঁড়িয়েছে। এ সময়ে কোম্পানিটির শেয়ারদর বেড়েছে দ্বিগুণেরও বেশি।
হামিদ ফ্যাব্রিকস সর্বশেষ ২০২৪-২৫ হিসাব বছরের প্রথমার্ধের (জুলাই-ডিসেম্বর) আর্থিক প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে। আলোচ্য সময়ে কোম্পানিটির শেয়ারপ্রতি লোকসান হয়েছে ২ টাকা ৮৬ পয়সা, আগের হিসাব বছরের একই সময়ে যা ছিল ২১ পয়সা। ৩১ ডিসেম্বর ২০২৪ শেষে কোম্পানিটির শেয়ারপ্রতি নিট সম্পদমূল্য (এনএভিপিএস) দাঁড়িয়েছে ৩০ টাকা ৮১ পয়সায়।
সমাপ্ত ২০২৩-২৪ হিসাব বছরে বিনিয়োগকারীদের কোনো লভ্যাংশ দেয়নি হামিদ ফ্যাব্রিকসের পর্ষদ। আলোচ্য হিসাব বছরে কোম্পানিটির শেয়ারপ্রতি লোকসান হয়েছে ৪ টাকা ৬ পয়সা। আগের হিসাব বছরে শেয়ারপ্রতি আয় (ইপিএস) ছিল ১৯ পয়সা। ৩০ জুন ২০২৪ শেষে কোম্পানিটির এনএভিপিএস দাঁড়িয়েছে ৩৩ টাকা ৬৬ পয়সায়।
সমাপ্ত ২০২২-২৩ হিসাব বছরে উদ্যোক্তা পরিচালক বাদে বাকি বিনিয়োগকারীদের ৫ শতাংশ নগদ লভ্যাংশ দিয়েছে হামিদ ফ্যাব্রিকস। আলোচ্য হিসাব বছরে কোম্পানিটির ইপিএস হয়েছে ১৯ পয়সা, আগের হিসাব বছরে যা ছিল ৬৭ পয়সা। ৩০ জুন ২০২৩ শেষে কোম্পানিটির এনএভিপিএস দাঁড়িয়েছে ৩৭ টাকা ৭১ পয়সায়।
হামিদ ফ্যাব্রিকসের সর্বশেষ সার্ভিল্যান্স এনটিটি রেটিং দীর্ঘমেয়াদে ‘এএ৩’ ও স্বল্পমেয়াদে ‘এসটি-২’। ৩০ জুন সমাপ্ত ২০২৩ হিসাব বছরের নিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদন, ৩০ নভেম্বর ২০২৩ পর্যন্ত ব্যাংক ঋণের অবস্থা এবং রেটিং ঘোষণার দিন পর্যন্ত প্রাসঙ্গিক অন্যান্য গুণগত ও পরিমাণগত তথ্যের ভিত্তিতে এ প্রত্যয়ন করেছে ক্রেডিট রেটিং এজেন্সি অব বাংলাদেশ লিমিটেড (সিআরএবি)।
২০১৪ সালে পুঁজিবাজারে তালিকভুক্ত হামিদ ফ্যাব্রিকসের অনুমোদিত মূলধন ২০০ কোটি ও পরিশোধিত মূলধন ৯১ কোটি ৫ লাখ ৭০ হাজার টাকা। রিজার্ভে রয়েছে ১৫৪ কোটি ৯৯ লাখ টাকা। মোট শেয়ার সংখ্যা ৯ কোটি ১০ লাখ ৫৭ হাজার ৩১২। এর ৫১ দশমিক ৩৮ শতাংশ রয়েছে উদ্যোক্তা পরিচালকদের কাছে। এছাড়া প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগাকারীদের কাছে ১৮ দশমিক ৭৩ ও সাধারণ বিনিয়োগকারীদের হাতে বাকি ২৯ দশমিক ৮৯ শতাংশ শেয়ার রয়েছে।










