ভিয়েতনাম বিশ্বের অন্যতম শীর্ষ কফি রফতানিকারক দেশ। চলতি বছরের প্রথম আট মাসে (জানুয়ারি-আগস্ট) পানীয় পণ্যটির রফতানি ৬ দশমিক ৯ শতাংশ বেড়েছে। তবে ধস নেমেছে চাল রফতানিতে। দেশটির সরকারি এক প্রতিবেদনে এ তথ্য উঠে এসেছে। খবর রয়টার্স।

ভিয়েতনামের জেনারেল স্ট্যাটিস্টিকস অফিস জানায়, বছরের শুরু থেকে আগস্ট পর্যন্ত ভিয়েতনাম বিশ্ববাজারে ১০ লাখ ৭০ হাজার টন বা ১ কোটি ৭৮ লাখ ব্যাগ (প্রতি ব্যাগে ৬০ কেজি) কফি রফতানি করে। বিশ্বের সবচেয়ে বড় রোবাস্তা বিন উৎপাদনকারী দেশটি কফি রফতানি করে আট মাসে ২০০ কোটি ডলার আয় করেছে। গত বছরের একই সময়ের তুলনায় আয় বৃদ্ধি পেয়েছে ১ দশমিক ১ শতাংশ। সর্বশেষ গত মাসে ভিয়েতনাম ১ লাখ ৫ হাজার টন কফি জাহাজীকরণ করে। এসব কফির মূল্য ২০ কোটি ৭০ লাখ ডলার।

এদিকে চাল রফতানিতে শীর্ষ দেশ ভারতের পরই ভিয়েতনামের অবস্থান। কিন্তু দেশটির চাল রফতানি খাতে মন্দা কাটছে না। ৮ মাসে দেশটি ৩৯ লাখ টন চাল রফতানি করে। গত বছরের একই সময়ের তুলনায় রফতানি কমেছে ১৪ দশমিক ৮ শতাংশ। রফতানীকৃত চাল থেকে আয় এসেছে ২১০ কোটি ডলার। এটি গত বছরের একই সময়ের তুলনায় ৬ দশমিক ৮ শতাংশ কম। আগস্টে ভিয়েতনাম সব মিলিয়ে ৪ লাখ ৩০ হাজার টন চাল রফতানি করে। এসব চালের দাম ২১ কোটি ১০ লাখ ডলার।

এদিকে চালের পাশাপাশি অপরিশোধিত জ্বালানি তেল রফতানিও কমিয়েছে ভিয়েতনাম। বছরের প্রথম আট মাসে জ্বালানি পণ্যটির রফতানি গত বছরের একই সময়ের তুলনায় ৪৫ দশমিক ১ শতাংশ কমে ১৯ লাখ ২০ হাজার টনে নেমেছে। রফতানীকৃত অপরিশোধিত জ্বালানি তেল থেকে আয় এসেছে ১০০ কোটি ডলার। গত বছরের আট মাসের তুলনায় আয়ের পরিমাণ ১৪ দশমিক ১ শতাংশ হ্রাস পেয়েছে। এসময় অপরিশোধিত জ্বালানি তেলজাত পণ্য আমদানিতেও নিম্নমুখী ধারা অব্যাহত ছিল।

বছরের প্রথম আট মাসে ভিয়েতনাম ৬৫ লাখ টন অপরিশোধিত জ্বালানি তেলজাত পণ্য আমদানি করে। গত বছরের একই সময়ের তুলনায় আমদানি ১৮ দশমিক ৭ শতাংশ হ্রাস পেয়েছে। তবে আমদানীকৃত এসব পণ্য থেকে আয় বেড়েছে।

জেনারেল স্ট্যাটিস্টিকস অফিস জানায়, জ্বালানি তেল আমদানির মাধ্যমে ভিয়েতনাম আট মাসে ৩২০ কোটি ডলার আয় করে। গত বছরের একই সময়ের তুলনায় আয় বেড়েছে ২০ দশমিক ৬ শতাংশ।