টানা তৃতীয় বছরের মতো থাইল্যান্ডে চাল উৎপাদন বাড়ার পূর্বাভাস মিলেছে। যুক্তরাষ্ট্রের কৃষি বিভাগের (ইউএসডিএ) ফরেন এগ্রিকালচারাল সার্ভিসের গ্লোবাল এগ্রিকালচারাল ইনফরমেশন নেটওয়ার্ক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানা গিয়েছে।

প্রতিবেদনে বলা হয়, পর্যাপ্ত পরিমাণ বৃষ্টিপাতের কারণে দেশটিতে ধানের আবাদ বেড়েছে। এতে চাল উৎপাদনে উল্লম্ফন দেখা দিয়েছে। এদিকে উৎপাদন বাড়ায় দেশটির রফতানি বাড়বে বলেও প্রত্যাশা করা হচ্ছে।

বিশ্বের শীর্ষ পাঁচ চাল রফতানিকারক দেশের তালিকায় রয়েছে থাইল্যান্ড। এ বছর দক্ষিণপূর্ব এশিয়ার দেশটির চাল রফতানিতেও উল্লম্ফন দেখা দেয়ার পূর্বাভাস পাওয়া গিয়েছে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, দেশটি রফতানি বাড়ালে বিশ্ববাজারে চালের সরবরাহ ঊর্ধ্বমুখী হয়ে উঠবে। ফলে খাদ্যশস্য সংকট নিয়ে যে উদ্বেগ, তা কিছুটা শিথিল হতে পারে।

জানা গিয়েছে, সম্প্রতি থাইল্যান্ড ও ভিয়েতনাম আন্তর্জাতিক বাজারে চালের দাম বাড়ানোর লক্ষ্যে একসঙ্গে কাজ করতে সম্মত হয়েছে। এর উদ্দেশ্য দেশ দুটির কৃষকদের আয় বাড়ানো এবং স্থানীয় বাজারে সরবরাহ স্বাভাবিক রাখা। দেশ দুটি দাম বাড়ালে আফ্রিকাসহ স্বল্প আয়ের আমদানিকারক দেশগুলো বিপাকে পড়বে বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা।

ইউএসডিএর প্রতিবেদন বলছে, চলতি বছরের এপ্রিলে থাই কৃষকরা ধান আবাদ শুরু করে। গত বছরের তুলনায় আবাদের অগ্রগতি ২ শতাংশের বেশি। ১০ আগস্ট পর্যন্ত ২৩ লাখ হেক্টর জমিতে ধান আবাদ করা হয়। ইউএসডিএ জানায়, ২০২২-২৩ অর্থবছরে থাইল্যান্ডের মোট চাল রফতানি ৭৫ লাখ টনে পৌঁছবে। সে হিসাবে গত বছরের একই সময়ের তুলনায় রফতানি ২১ শতাংশ বাড়বে। ইউএসডিএ জানায়, ডলারের বিপরীতে থাই বাতের দরপতনের কারণে চাল রফতানি প্রতিযোগিতাপূর্ণ হয়ে উঠেছে।