জুনে যুক্তরাষ্ট্রের তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাস (এলএনজি) রফতানি এক মাসের ব্যবধানে ১০ শতাংশ কমেছে। রফতানির পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ৬৮ লাখ ২০ হাজার টনে। প্লান্টগুলোয় রক্ষণাবেক্ষণ কার্যক্রম ও ইউরোপীয় ইউনিয়নের দেশগুলো থেকে চাহিদা কমে যাওয়ায় রফতানিতে নেতিবাচক প্রভাব পড়েছে। বাজার গবেষণা প্রতিষ্ঠান রেফিনিটিভ সম্প্রতি এ তথ্য জানিয়েছে।
প্রতিষ্ঠানটির এক প্রতিবেদনে বলা হয়, যুক্তরাষ্ট্রের প্রধান দুটি এলএনজি রফতানিকারক প্রতিষ্ঠানের পরিকল্পিত রক্ষণাবেক্ষণ কার্যক্রমের কারণে জুনে উৎপাদন ব্যাহত হয়েছে। অন্যদিকে ইউরোপে চাহিদা কমে যাওয়ার পাশাপাশি গ্যাসের ঊর্ধ্বমুখী মজুদ ও নিম্নমুখী দামের কারণেও যুক্তরাষ্ট্রের রফতানি চাপের মুখে পড়ে।
সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, গত মাসে ইউরোপীয় ইউনিয়নের মোট এলএনজি আমদানি কমেছে। ব্লকটির দেশগুলোয় বর্তমানে গ্যাসের মজুদ পূর্ণ সক্ষমতার কাছাকাছি অবস্থান করছে। গত মাসে যুক্তরাষ্ট্র যে পরিমাণ এলএনজি রফতানি করেছে তার ৪৭ শতাংশ গেছে ইউরোপের দেশগুলোয়, এর আগের মাসে যা ছিল ৬০ শতাংশ এবং এপ্রিলে ছিল ৭১ শতাংশ।
এদিকে ইউরোপে কমলেও এশিয়ার বাজারে যুক্তরাষ্ট্রের এলএনজি রফতানি বেড়েছে। মোট রফতানির ২৭ শতাংশ গেছে এসব দেশে, যা মে মাসে ছিল ১৪ শতাংশ। গত মাসে লাতিন আমেরিকার দেশগুলোয় রফতানি করা হয়েছে ১৭ শতাংশ। বিশ্লেষকরা বলছেন, রক্ষণাবেক্ষণ কার্যক্রম শেষ হলে যুক্তরাষ্ট্রের এলএনজি রফতানি আবারো বাড়বে। ফলে চলতি প্রান্তিকে দেশটি রফতানিতে বড় প্রবৃদ্ধি দেখতে পারে।










