চলতি বছরের এপ্রিল-জুলাইয়ে মিয়ানমারের গ্যাস রফতানি অব্যাহতভাবে ঊর্ধ্বমুখী ছিল। ওই সময়ে দেশটি ৮০ কোটি ডলারের গ্যাস রফতানি করেছে। খবর ব্যাংকক পোস্ট।

গত বছর মিয়ানমারে সামরিক অভ্যুত্থানের পর থেকে দেশটিতে অস্থিরতা বিরাজমান। দেশটির অর্থনীতিরও ভগ্নদশা। অনিয়ন্ত্রিত মূল্যস্ফীতির হার ক্রমেই অস্থির করে তুলছে মিয়ানমারের জনজীবন ও ব্যবসা। ব্যাঘাত ঘটাচ্ছে পণ্য আমদানি ও রফতানির বাণিজ্যেও। এ সত্ত্বেও দেশটিতে চার মাসে প্রাকৃতিক গ্যাস রফতানি বেড়েছে। মিয়ানমারের সামরিক জান্তা নিয়ন্ত্রিত বাণিজ্য মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, এপ্রিল-জুলাই পর্যন্ত দেশটি মোট ৭ কোটি ৭৮ লাখ ৯০ হাজার কিলোলিটার প্রাকৃতিক গ্যাস রফতানি করেছে।

রফতানির অধিকাংশ প্রাকৃতিক গ্যাসের গন্তব্য ছিল থাইল্যান্ড ও চীন। থাইল্যান্ডে প্রাকৃতিক গ্যাসের মোট চাহিদার ১৪ শতাংশ আসে মিয়ানমার থেকে।

এদিকে সামরিক অভ্যুত্থানের ফলে মিয়ানমারে সৃষ্ট মানবিক সংকটের কারণে অনেক প্রতিষ্ঠানই দেশটি থেকে ব্যবসা গুটিয়ে নিচ্ছে। চলতি বছরের জানুয়ারিতে দেশটি থেকে শেভরন করপোরেশন ও টোটালএনার্জিস দেশটিতে ব্যবসায়িক কার্যক্রম স্থগিতের ঘোষণা দেয়। এছাড়া মানবিক সংকট ও অস্থিতিশীলতার কথা বলে দেশটিতে ব্যবসা বন্ধ করছে বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান। এ সত্ত্বেও মিয়ানমারে গ্যাস রফতানি ঊর্ধ্বমুখী ছিল। চার মাসে মোট ৮০ কোটি ডলারের গ্যাস রফতানি করতে সমর্থ হয়েছে দেশটি।

টোটালএনার্জিস প্রস্থানের পর এ বছরের মে মাসে ইয়াদানা গ্যাসক্ষেত্র নিয়ন্ত্রণ নেয়ার ঘোষণা দেয় থাইল্যান্ডের পিটিটিইপি। ইয়াদানা, ইয়েদাগুন, শুই ও জাওতিকা গ্যাসক্ষেত্র থেকে প্রধানত দেশটি গ্যাস উত্তোলন করে।